আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক হত্যা-ধর্ষণের ঘটনার পর হঠাৎ করেই সেমিনার হলের পাশের ঘর ভাঙচুর শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করছেন অনেকে।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সেমিনার হল- তরুণী চিকিৎসক হত্যা-ধর্ষণের গ্রাউন্ড জিরো, ক্রাইম সিন। কিন্তু সেই ক্রাইম সিনের পাশেই দেখাদার ভাঙচুর চলছে। হাসপাতালের সংস্কার কাজের জন্য সেমিনার হলের পাশের ঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে এই অবস্থায় সেমিনার হলের পাশের ঘর হঠাৎ করে ভাঙতে কেন উদ্যোগী হল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অনেকেই প্রমান লোপাটের আশঙ্কা করছে। ইতিমধ্যেই সংস্কার কাজের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রের খবর, সেমিনার হলের পাশে ভাঙচুর করা হচ্ছে। সেইখানে একটি শৌচাগার তৈরি করা হবে। কিন্তু ক্রাইম সিনের পাশেই কেন এমন সময় ভাঙচুর তাই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, যে ঘরটি ভাঙচুর করা হচ্ছে সেটি খুব একটা ব্যবহার করা হত না। কিন্তু কেন হঠাৎ করে ভাঙচুর করা হয়। তার কোনও উত্তর নেই। যদিও সূত্রের খবর সন্দীর ঘোষের নির্দেশেই ভাঙাভাঙি করা হচ্ছিল। যদিও সেমিনার হলের দেওয়াল ভাঙা পড়ে বলে পরে সংস্কারের কাজ আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

হাসপাতাল সূত্রের খবর,গতকাল থেকেই ঘরটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ঘর ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন। সেখানে একটি শৌচাগার তৈরির করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন সন্দীপ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদস্থ কর্তার প্রশ্ন, কিন্তু ধর্ষণ এবং খুন যেখানে হল, তার অল্প দূরত্বে একটি ঘর ভাঙার জন্য এখনই কেন তাড়াহুড়ো শুরু হল? আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের অনেকেরই দাবি তথ্য প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই নির্দেশ দিয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। আপাতত ঘর ভাঙা এবং সংস্কারের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।