তিনটি অ্যাকাউন্টে ৪৪০ কোটি টাকা রয়েছে বলে খবর। তার মধ্যে এআইটিসির অ্যাকাউন্টে ২৬০ কোটি টাকা রয়েছে। ত্রিপুরা এবং গোয়ার অ্যাকাউন্টে ১৮০ কোটি টাকা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
বৃহস্পতিবার তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্টের মোট ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে আপাতত ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা বা লেনদেন বন্ধ করা হোক। ওই তিনটি অ্যাকাউন্টে ৪৪০ কোটি টাকা রয়েছে বলে খবর। তার মধ্যে এআইটিসির অ্যাকাউন্টে ২৬০ কোটি টাকা রয়েছে। ত্রিপুরা এবং গোয়ার অ্যাকাউন্টে ১৮০ কোটি টাকা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

এই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিতে চান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থীরা, এমনটাই অভিযোগ। তাঁরা থানার দ্বারস্থও হয়েছেন। সেই নিয়ে তাঁদের এক হাত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়েই ভোটে লড়েছেন ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কেরা। সেই টাকা ফেরত না দিয়ে কেন অভিযোগ করা হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল।
তৃণমূলের এই বিপর্যয়ের দিনে ‘ফান্ড’ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক একটি বিষয় হয়ে উঠছিল। গত দু’দিনে তৃণমূলের ফান্ডে কাদের অধিকার, তা নিয়ে বিস্তর চর্চা চলেছে ঋতব্রতপন্থীদের সঙ্গে মমতাপন্থীদের। অরূপ বিশ্বাস গত ১২ জুন তৃণমূলের ফান্ড বন্ধের আর্জি জানিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন। যদিও সেই চিঠি গৃহীত হয়নি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর ১০ জন বিধায়ক ইতিমধ্যেই এই নিয়ে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় চিঠি দিয়েছিলেন। ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে যাতে কোনওরকম লেনদেন না হয়, তার জন্য পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছিলেন। এরপরেই তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পুলিশ শুক্রবার ফ্রিজ় করল এবং এই পদক্ষেপ কালীঘাটের জোড়াফুল নেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।


