Santosh Mitra Square: পুজো উদ্যোক্তা সজল ঘোষ জানিয়েছেন, পুজোর থিম ঘোষণার পর থেকেই পুলিশ হেনস্থা করছেন। গত কয়েক মাসে পরপর পুলিশের চিঠি পাচ্ছেন। তাতেই সজল ঘোষের আশঙ্কা পুজো চালাতে পারবেন কিনা! 

উদ্বোধনের আগে থেকেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় প্রবল ভিড় হচ্ছে। এবারের থিম অপারেশন সিঁদুর। সেখানে পহেলগাঁও হামলা ও তারপর ভারতের জবাবের বিষয়ই তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এই পুজোর প্রথম থেকেই পুলিশ হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ পুজো উদ্যোক্তাদের। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বিজেপি নেতা তথা স্থানীয় কাউন্সিলর সজল ঘোষের পুজো বলে পরিচিত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ

পুজো উদ্যোক্তা সজল ঘোষ জানিয়েছেন, পুজোর থিম ঘোষণার পর থেকেই পুলিশ হেনস্থা করছেন। গত কয়েক মাসে পরপর পুলিশের চিঠি পাচ্ছেন। তাতেই সজল ঘোষের আশঙ্কা পুজো চালাতে পারবেন কিনা!

বিজেপি নেতার বক্তব্য

বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেছেন, 'পুজো চালাতে পারব কিনা জানি না। '। তাঁর কথায় পুলিশের জুলুম এতটাই বেড়েছে যে পুলিশের সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুজো পুজোটা দর্শনার্থীদের জন্য সুব্যবস্থা করা যাবে কিনা তাই নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

পুজোর উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার পুজোর উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু তার আগে থেকেই পুজোয় ভিড় ছিল। এবার যত দিন যাবে তত ভিড় বাড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি। এই অবস্থায় পুলিশের জুলুম আরও বাড়বে বলেও মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

পুলিশের বক্তব্য

যদিও পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এসব কিছুই সবই। দর্শনার্থীরা যাতে দুর্ঘটনা এড়িয়ে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন, তার জন্যই ব্যারিকেড করা হয়েছে।

নির্দেশিকা

এর আগে ১৪ মে, ১২ জুন এবং ১৫ জুলাই, ৯ সেপ্টেম্বর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতিকে চিঠি পাঠিয়েছিল মুচিপাড়া থানা। জারি করা হয় একগুচ্ছ নির্দেশিকা। যেমন মণ্ডপে ঢোকা ও বেরনোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জায়গা রাখতে হবে। মণ্ডপ থেকে বেরনোর গেটের কাছে বা পার্কের পূর্ব প্রান্তে কোনও হকার, স্টল বা বিক্রেতাকে বসতে দেওয়া হবে না। মণ্ডপের ভিতরে বা আশেপাশে কোনও ধরনের লাইন্ড অ্যান্ড সাউন্ড শো করা যাবে না। মণ্ডপ চত্বরে অন্তত ৬০টি CC ক্যামেরা বসাতে হবে। ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মোড় থেকে ঢোকার গেট পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞাপনের গেট বা সেই ধরনের কোনও কাঠামো রাখা যাবে না। নাগরদোলনা বা কোনও জয় রাইড বসানো যাবে না। ২৫০ জন প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ারকে মোতায়েন করতে হবে।