Revised new voter list: ২৩ নভেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর এই একমাস সময়সীমার মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে অভিযোগ বা দাবি-দাওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। এই যাবতীয় অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
Revised new voter list: পয়লা জানুয়ারি নয়, ২০২৭ সালের ১৬ই জানুয়ারি প্রকাশিত হতে চলেছে সংশোধিত নতুন ভোটার তালিকা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে চিঠি দিয়ে এই খবর জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর, প্রথমে উপনির্বাচন এবং তারপর উৎসব মরশুমের কারণে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায় দপ্তরের পক্ষ থেকে। বুধবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিলাম মিনাকে দেওয়া চিঠিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয় আগামী ১৬ই জানুয়ারি সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে দেওয়া চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে রাজ্যের ভোট কেন্দ্রগুলির সরলীকরনের কাজ আগামী ১৩ ই নভেম্বর পর্যন্ত সময় মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে খসড়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরীর সময় মেয়াদ ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ২৩ নভেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর এই একমাস সময়সীমার মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে অভিযোগ বা দাবি-দাওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। এই যাবতীয় অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে। অবশেষে ১৬ জানুয়ারি, ২০২৭ প্রকাশিত হবে সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
প্রসঙ্গত, বাদ পড়া ভোটারদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু। অনলাইনেও করা যাবে আবেদন। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বাদ পড়া ভোটারদের নাম ফের ভোটার তালিকায় তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল নির্বাচন কমিশন। অনুপস্থিত স্থানান্তরিত মৃত অথবা ডুপ্লিকেট হিসেবে যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল তাঁরা ফের নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
নতুন ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী ভোটাররা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য CEO West Bengal এর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি জেলার ইলেকটোরাল অফিসারদের ওয়েবসাইট এবং বুথ লেভেল অফিসারের মাধ্যমে ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সুযোগ থাকছে।
শুধু বাদ পড়া ভোটাররাই নন যাঁরা প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান তাঁরাও ফর্ম ৬ এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া নতুন ভোটারদেরও এই প্রক্রিয়ায় নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ থাকছে। তবে যাঁদের নাম নিয়ে আবেদন ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনালে আটকে রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট সমাধানের কথা উল্লেখ করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে এমন আবেদনের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ট্রাইব্যুনালে আটকে থাকা আবেদনকারীদের জন্য নতুন এই প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।






