SRFTI News: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশনে গন্ডগোল ও অশান্তির ঘটনা নিয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কী বলেছেন তিনি? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
SRFTI News: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশনে গন্ডগোল ও অশান্তির ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন যে, ''ভারতমাতা, স্বামীজির অপমান কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেককে শনাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।'' এদিন ঠিক এভাষাতেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। যদিও এই ঘটনায় শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতিকরণের অভিযোগে সরব এসআরএফটিআই অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন।
ঠিক কী ঘটেছিল এসআরএফটিআই-তে?
সূত্রের খবর, রবিবার কলকাতার গর্বের সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউঁটে কার্যত, তাণ্ডব! বহিরাগতরা ইট ছুঁড়ছেন বাইরে থেকে। মূলত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের তথা আরএসএস-এর একটি শাখা সংগঠনের বিরুদ্ধে (SRFTI Campus Incident)। এমনকি, অভিযোগ আসছে যে, এসআরএফটিআই-এর ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর চড়াও হয়েছেন তারা। এক ছাত্রকে নগ্ন করে মারার অভিযোগ আসছে। তবে পাল্টা আঘাতের কথাও শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ, অভিযোগ দুই তরফেই। দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত বলে জানা গিয়েছে (SRFTI news)।
ঘটনায় ক্যাম্পাসের ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসের ভিতর ঢুকে হামলা চালিয়েছে এবং তার জেরেই আহত হয়েছেন একাধিক পড়ুয়া এবং ফ্যাকাল্টি। সবথেকে বড় বিষয়, এত বছরে এইরকম কোনও ঘটনা SRFTI ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি। জানা যাচ্ছে, রবিবার সকালে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রেক্ষাগৃহে একটি সভার আয়োজন করে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি (পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত)। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সকাল ১০টা থেকে এই সভা শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পরেই, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি তুলতে শুরু করেন পড়ুয়াদের একাংশ। এরপরেই প্রেক্ষাগৃহের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কয়েকজন ছাত্রছাত্রী। কেন বেসরকারি কোনও সংগঠনকে ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে সভা করতে দেওয়া হল? রীতিমতো রেজিস্ট্রারের কাছে তা জানতে চান পড়ুয়ারা।
এদিকে এই ঘটনায় ঋত্বিক চক্রবর্তী থেকে ঊষসীর মতো একাধিক বাম মনোভাবাপন্ন তারকারা সোশাল মিডিয়ায় সুর চড়িয়েছেন। তবে যে বা যারা বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মেরেছে কিংবা ভারতমাতার অপমান করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে এই ঘটনায় মোট চারটি এফআইআর দায়ের হলেও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার বা আটক হননি।


