রবিবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (SRFTI)। অভিযোগ, গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।
আবার উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন (SRFTI)। রবিবার বিকেল থেকেই কলকাতার পঞ্চসায়ল এলাকার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট ভেঙএ ভিরতে ঢোকার চেষ্টা করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। গেট বন্ধ থাকায় বাইরে থেকেই তারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। ক্যাম্পাশের ভিতরে জমায়েত করে পড়ুয়ারা। সেই জমায়েত লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ করে পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের বিরুদ্ধেও পাল্টা ইট-পাথর ছোঁড়়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত রবিবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল SRFTI। সেই সময় রাষ্ট্রিয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা RSSএর একটি সংগঠনের কর্মসূচি ছিল SRFTIতে। সেই কর্মসূচির প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি-র সদস্যদের বিরুদ্ধে। পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে মারধরের পাল্টা অভিযোগও ওঠে। পাল্টা পডুয়ারাও মারধর করে বলে অভিযোগ। গত রবিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন একটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল হিন্দুত্ববাদী জাগরণ মঞ্চ। সেই কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হল SRFTI।
আগে থেকেই SRFTI চত্ত্বরে পুলিশ মোতায়েন ছিল। SRFTI ক্যাম্পাসের কিছুটা আগেই একটি ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। অজয়নগর থেকে শুরু হওয়া মিছিল ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায়। পুলিশের কাছে গেট খুলে দেওয়ার দাবিও জানায়। পাল্টা গেলের অন্যপ্রাপ্তে ছিল পড়ুয়াদের জমায়েত।
হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা SRFTI-এর গেটের সামনে পৌঁছাতেই পুলিশের সঙ্গে তাদের ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। টেনেহিঁচড়ে কয়েকজনকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিস। তা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেয় হিন্দু জাগরণমঞ্চের সদস্যরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে অশান্তি। যদিও পুলিশের প্রচেষ্টায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
