পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি এবং অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের সময় দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে ২০৭টি আসন জিতে তৃণমূলকে হারিয়েছে বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। শুক্রবার দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পর এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দল এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিজেপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, "আমি সর্বভারতীয় সভাপতি এবং অমিত শাহজিকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদে আমি পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হয়েছি। সব বিধায়কের সমর্থন পেয়েছি। বিজেপিতে গণতন্ত্র আছে। আমরা সংগঠন এবং মানুষের জন্য ভোটের সময় দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করব।"

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে শুভেন্দু
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণার পরেই রাজ্যের ইতিহাসে প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে তাঁর রাস্তা পরিষ্কার হয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতায় দলীয় বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে তিনিই ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক।
অমিত শাহ বলেন, "আমি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করছি।"
শনিবার নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু। দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরেই তিনি সরকার গঠনের আগে সাংগঠনিক আলোচনার জন্য কলকাতায় দলের নবনির্বাচিত বিধায়ক ও বরিষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
২০২৬ সালের ভোটের ফলাফল
এবারের ভোটে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুটি কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু। এর মধ্যে ভবানীপুরে তিনি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫,০০০-এর বেশি ভোটে পরাজিত করেন, যা রাজ্যের রাজনীতিতে একটি বড় ঘটনা।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসন জিতেছে। অন্যদিকে, ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ৮০টি আসন। (ANI)
