TMC Fund Case: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঘিরে বিতর্ক এবার পৌঁছেছে কলকাতা হাই কোর্টে। শুনানি হতে পারে আজ বা কাল। 

তৃণমূল কংগ্রেসের তহবিল কার দখলে থাকবে? ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের মামলা এবার কলকাতা হাইকোর্টে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অনুগামীরা ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। তাদের তরফে আইনজীবী অভিষের মুনু সিংভি বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আর্জি জানিয়েছেন। মামলাটির শুনানি হতে পারে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। মামলার সঙ্গে যুক্ত অপর পক্ষকে নোটিশ দিতে বলেছে আদালত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তৃণমূলের পার্টি ফান্ড মামলার আপডেট

তৃণমূলের এই পার্টির তহবিল মামলায় যুক্ত করা হয়েছে পুলিশ ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে। রাজ্য সরকারকেও মামলায় যুক্ত করেছে আদালত। কালীঘাট তৃণমূল বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী তৃণমূলের দ্রুত শুনানির আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, সব পক্ষকেই নোটিশ দিতে হবে। সোমবার, অর্থাৎ আজ বেলার দিকে না হলে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

তৃণমূলের তহবিল কার?

বিধানসভা নির্বাচনের পরই তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙতে শুরু করে। একদিকে রাজ্যের বিধায়করা যেমন দুটি দলে বিভক্ত তেমনই রাজ্যের তৃণমূল সাংসদরাও দুটি দলে বিভক্ত হয়েছেন। তবে তৃণমূলের তহবিল কার তা নিয়ে মূলত লড়াই রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। দুই শিবিরের লড়াইতে আপাতত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখার কথা জানিয়েছেন, বিরোধী গোষ্ঠীকে থাকা তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পরে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার আবেদন জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় ঋতব্রতের শিবির। পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করে। তিনটি অ্যাকাউন্টে জমা থাকা তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা আপাতত তোলা যাবে না বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। লেনদেনের নথিও তলব করা হয়। এর পরেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট শিবির।

পুলিশের দাবি

পুলিশ সূত্রে খবর, AITC-র অ্যাকাউন্টে ২৬০ কোটি টাকা রয়েছে। ত্রিপুরা এবং গোয়ার অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১৮০ কোটি টাকা। ভোটে পরাজয়ের পর অরূপকে কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ব্যাঙ্ককে দেওয়া চিঠিতে নিজেকে কোষাধ্যক্ষ বলেই উল্লেখ করেন অরূপ। দাবি, তিনি পদে থাকাকালীন অনেক চেকে সই করে রেখেছিলেন। সেগুলি কোথায় কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তার হিসাব তিনি পাননি। এ বার সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জটিলতার জল গড়াল হাই কোর্ট পর্যন্ত।