- Home
- West Bengal
- Kolkata
- WB SSC: শিক্ষকরা ব্যস্ত নির্বাচনের কাজে, সুপ্রিম ডেডলাইন ভঙ্গের আশঙ্কায় আদালতের দ্বারস্থ এসএসসি
WB SSC: শিক্ষকরা ব্যস্ত নির্বাচনের কাজে, সুপ্রিম ডেডলাইন ভঙ্গের আশঙ্কায় আদালতের দ্বারস্থ এসএসসি
WB SSC On Election Commission: ভোটের কাজে চলে যাচ্ছেন অধিকাংশ শিক্ষক। যার জেরে অমান্য হতে বসেছে সুপ্রিম নির্দেশ। এই অবস্থায় আদালত অবমাননার ভয়ে তড়িঘড়ি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ স্কুল সার্ভিস কমিশন। কী বলছে আদালত? জানুন আরও বিশদে।।

ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ এসএসসি বোর্ড
শিক্ষকরা ব্যস্ত নির্বাচনের কাজে (West Bengal Assembly election)। অধিকাংশ কর্মীকে ভোটের কাজের জন্য নিয়ে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার জেরে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অমান্য হতে বসেছে। আদালত অবমাননার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল সার্ভিস কমিশন। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসএসসি। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাইকোর্টে।
আদালতে কী দাবি স্কুল সার্ভিস কমিশনের?
বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২০১৬ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া ৩১ অগাস্টের মধ্যে সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। কিন্তু বুধবার এসএসসি আদালতকে জানিয়েছে, তাদের মোট কর্মী সংখ্যা ৩৫। তার মধ্যে ২৪ জন কর্মীকে ভোটের কাজের জন্য নিয়ে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। স্কুলের শিক্ষকরা ভোটের কাজে ব্যস্ত।
ভোটের ডিউটিতে স্কুল শিক্ষকরা
এই বিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রে খবর, তার মধ্যে স্কুলে স্কুলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ইন্টারভিউ চলছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন যদি এসএসসি-এর ওই কর্মীদের না ফিরিয়ে দেয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না। বুধবার আদালতে এসএসসি আরও দাবি করে জানায়, ওই সকল কর্মীরা স্বশাসিত সংস্থার। কোনও স্বশাসিত সংস্থার কর্মীদের নির্বাচনের জন্য নিয়ে নেওয়া যায় না। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হতে পারে।
এসএসসি-তে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ
ব্যাপক দুর্নীতির কারণে ২০১৬ সালের গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় কমিশন, রাজ্য ও চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ। দীর্ঘ শুনানির পর হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। চিহ্নিত অযোগ্যদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের নিয়ে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া করার নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ডেটলাইন মেনেই নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের লিখিত পরীক্ষা হয়। মেধা তালিকার ভিত্তিতে এই মুহূর্তে চলছে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া।
নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার ডেডলাইন কবে?
প্রথমে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ৩১ মার্চের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। পরে সেই সময়সীমা ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করে আদালত। নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্বাচন এসে যাওয়ায়, নির্বাচনের কাজের জন্য নির্বাচন কমিশন শিক্ষকদের পাশাপাশি কমিশনের কর্মীদেরও নিয়োগ করেছে। আর তাতেই এসএসসি আশঙ্কা করছে সুপ্রিম কোর্টের ডেডলাইন মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে না। এই আশঙ্কাতেই তড়িঘড়ি কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ্য হল এসএসসি।

