- Home
- West Bengal
- Kolkata
- WB Govt Job: আর কয়েক মাসের মধ্যেই হাজার হাজার শূণ্যপদে নিয়োগ, কোন কোন পদে আবেদন করা যাবে?
WB Govt Job: আর কয়েক মাসের মধ্যেই হাজার হাজার শূণ্যপদে নিয়োগ, কোন কোন পদে আবেদন করা যাবে?
সরকারি নিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে বিজেপি সরকার। ইউপিএসসির আদলে গোটা নিয়োগ কাঠামোকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর কয়েক মাসের মধ্যেই হাজার হাজার শূণ্যপদে চাকরি, নিয়োগ নিয়ে বিরাট ঘোষণা শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি নিয়োগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিজেপি সরকার। ইউপিএসসির আদলে রাজ্যের নিয়োগ কাঠামোকে আরও স্বচ্ছ ও কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে পুরসভা এবং সমবায় দফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়াও পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা PSC-এর আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে (West Bengal) ১৭ হাজারের বেশি পদে নিয়োগ
সম্প্রতি নিয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে এই সংক্রান্ত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
সাংবাদিক বৈঠকে পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন আমলা অনিল বর্মা জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতরে শীঘ্রই প্রায় ৮,০০৬টি পদে লোক নেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে কমিশন। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
রাজ্য সরকারের অধীন বিভিন্ন দফতরে বর্তমানে বহু পদ ফাঁকা রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন এবং কো-অপারেটিভ সার্ভিস কমিশনের আওতায় থাকা নিয়োগগুলিও এবার থেকে পিএসসি পরিচালনা করবে।
সব মিলিয়ে গ্রুপ এ, বি এবং সি স্তরে ১৭,৭১৪টি পদে নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রুপ এ-তে মোট ২,৪৯০টি শূন্যপদ রয়েছে। WBCS (Executive), জুডিশিয়াল অফিসার, লিগ্যাল সার্ভিস, পুলিশ, অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস সার্ভিস এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও এর মধ্যে রয়েছে।
গ্রুপ বি-তে ২,৮৪৮টি এবং গ্রুপ সি বা ক্ল্যারিক্যাল স্তরে ১২,৩৭৬টি পদ খালি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮,০০৬টি পদে নিয়োগের জন্য খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চলেছে পিএসসি।
নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি হওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ ছিল। সেই সমস্যা দূর করতেও এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী দিনে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। কোনও পরীক্ষার ফল দীর্ঘ সময় ধরে ফেলে রাখা যাবে না। একইসঙ্গে ইতিমধ্যে যে পরীক্ষাগুলি এখনও নেওয়া হয়নি বা প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ রয়েছে, সেগুলিও দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।