হুগলির কোন্নগরে তরুণীকে ধর্ষণকাণ্ডে নাম জড়াল তৃণমূলের। এই গণধর্ষণকাণ্ডের পরেই অভিযুক্ত যুবক পি শিবা রাও-র সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের সেলফি ভাইরাল হয়েছে। 

হুগলির কোন্নগরে তরুণীকে ধর্ষণকাণ্ডে নাম জড়াল তৃণমূলের। এই গণধর্ষণকাণ্ডের পরেই অভিযুক্ত যুবক পি শিবা রাও-র সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের সেলফি ভাইরাল হয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযুক্ত যুবকের তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে সবুজ আবির মাখা ছবিও দেখা গিয়েছে। যার অভিযুক্তরা যে তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত, সেই অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্য়ে আসতেই তীব্র অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক দল। ়

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অভিযুক্তের সঙ্গে আগে প্রাক্তন পুরপ্রশাসকের একটি সেলফি ভাইরাল হয়। এরপরেই বাম-বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভাইরাল হয়েছে। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে দুই দল। শুক্রবার এসএফআই-র তরফ থেকে দোষীদের শাস্তির দাবিতে শহর জুড়ে পোস্টার দেওয়া হয়। এদিকে বিজেপিও দাবি করে অভিযুক্তরা তৃণমূল কর্মী। আর এই সকল অভিযোগের ভিত্তিতেই জোরদার হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। তবে এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাঁধের দাবি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই এই অভিযোগ আনা হচ্ছে। এবিষয়ে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক উত্তরপাড়া পুরপ্রধান দিলীপ যাদব বলেছেন,কোনও ব্যাক্তির সঙ্গে যদি কোনও রাজনৈতিক নেতার ছবি থাকে, তাহলে সেটা নিশ্চই কাজের সূত্রেই ছিল। অপরাধমূলক কাজ হলে সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই দোষীকে শাস্তি দেওয়া হবে।তৃণমূল অপরাধের পক্ষে নয়, বিচারব্যবস্থা যা বলবে তাই হবে। আইন আইনের পথে চলবে।

আরও পড়ুন, 'আমাকে বলেছিল, ধর ওকে রেপ করব', হাঁসখালিকাণ্ডে সিবিআই-র কাছে এল ভয়াবহ তথ্য

আরও পড়ুন, যৌন সঙ্গমের পরেই কি খুন, বীরভূমের কীর্ণাহারে বিধবা মহিলার দেহ উদ্ধার

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পয়লা মার্চ এলাকারই এক যুবক ধর্ষণ করে ভিডিও রেকর্ড করে তুলে রাখে। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে বাকি অভিযুক্তরা একাধিকবনার ধর্ষণ করে। তারপরে সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়া হয়। এরপর ওই তরণীর পরিবার শ্রীরামপুর মহিলা থানায় অভিযোগ জানায়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অর্ণব ঘোষ এদিন শ্রীরামপুর মহিলা থানায় পৌছে যান। তদন্তকারীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। কমিশনার অর্ণব ঘোষ জানান, গতকাল রাতে একচি মেয়ের উপর শারীরিক নির্যাতনের একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সেই অনুযায়ী তদন্ত চলছে। আমরা নির্দিষ্ট মামলা করেছি।৪ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভিডিও-র কথা শুনেছি, তবে সেটা এখনও হাতে পায়নি।অপরদিকে কোন্নগর পৌরসভার তিন নং ওয়ার্ড তৃণমূল কাউন্সিলরকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগের কথা স্বীকার করেছেন কাউন্সিলর। তিনি বলেন, 'আমাকে এলাকার কেউ এই ঘটনার কথা জানাননি। পুলিশ তদন্ত করছে , সেটা পুলিশের বিষয়।'

আরও পড়ুন, দরজা আটকে বাইরে পাহারা দিলেন মহিলা, নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার বিজেপি নেত্রী-সহ ৪