সংক্রমণ ছড়াবে না তো? করোনা আতঙ্কে এবার ছাড় পেলেন না নার্সও! কাজে যোগ দেওয়া তো দূর, স্থানীয়দের আপত্তিতে বাড়ি থেকে বেরোতেই পারছিলেন না তরুণী। খবর পেয়ে তৎপর হলেন খোদ পুরপ্রধান। বাড়িতে গিয়ে নার্সকে সংবর্ধনা দিলেন তিনি। ভুল ভাঙল স্থানীয় বাসিন্দাদেরও। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার ইছাপুরে।

আরও পড়ুন: বাবুল সুপ্রিয়ের টুইটে বিড়ম্বনা, কলকাতা থেকে 'বিতারিত' বাঙুরের সেই যুবক

নার্সের নাম সুচিত্রা প্রামাণিক। বাড়ি, উত্তর ২৪ পরগণার ইছাপুরের শরৎ কলোনিতে। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন সুচিত্রা। প্রশিক্ষণ আর শেষ করতে পারেননি, আপদকালীন পরিস্থিতিতে তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ব্যারাকপুরের বিএন বসু হাসপাতালে। কিন্তু কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না ওই তরুণী। কেন? লকডাউনের মাঝে যেহেতু সোনারপুর থেকে বাড়ি ফিরেছেন, তাই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি হাসপাতালের নার্সকেও বাড়িতে থেকে বেরিয়ে দিচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ। কথা রেখেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল, ঘুরে দেখলেন হাসপাতাল ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার

আরও পড়ুন: করোনা হাসপাতালে মোবাইল নিষিদ্ধ কেন, হাইকার্টে মামলা অর্জুনের

শনিবার সকালে চেয়ারম্যান নিজেই চলে যান ইছাপুরের শরৎ কলোনিতে, সুচিত্রা প্রামাণিকের বাড়িতে। ওই তরুণীকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে সংবর্ধনা দেন তিনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে ডাক্তার ও নার্সদের ভূমিকা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেকথাও বোঝান স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাতেই কাজ হয়। বিএন বসু হাসপাতালে কাজে যোগ দিয়েছেন সুচিত্রা।