Elephant Attack: সারাদিন ধরে মাদারিহাটে দাপিয়ে বেড়াল দাঁতাল হাতি। দিনের আলোতেই হাতির তাণ্ডবে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এখন কী পরিস্থিতি? দেখুন ছবিতে।
দিনের আলোতেই লোকালয়ে ঢুকে দাপিয়ে বেড়াল একটি বিশাল দাঁতাল হাতি। সোমবার সকাল সকাল আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাটের একাধিক এলাকায় হাতিটির উপস্থিতিতে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। হাতির গতিবিধি ঘিরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় বনদফতরে। যদিও দাঁতাল নিজের ছন্দেই এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়।

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে প্রথমে মাদারিহাটের মেঘনাথ সাহা নগর এলাকায় চলে আসে দাঁতাল হাতিটি। সেখান থেকে হাতিটি প্রধান নগর এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় হাতিটি। পরে হাতিটি ছেকামাড়ি গ্রামে প্রবেশ করে এবং সেখানেও দাপিয়ে বেড়ায়। দিনের আলোয় এভাবে একের পর এক জনবসতিপূর্ণ এলাকায় দাঁতাল হাতির বিচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। যদিও হাতির তাণ্ডবে হতাহতের মত গুরুতর ঘটনা ঘটেনি। তবে স্থানীয়দের মধ্যে রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান জলদাপাড়া বনদপ্তরের কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হন তাঁরা। বনকর্মীদের প্রচেষ্টায় দাঁতাল হাতিটিকে জাতীয় সড়ক পার করিয়ে শেষ পর্যন্ত জঙ্গলে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়।

পরিবেশ প্রেমী সুপেন দাস জানান গতকাল রাতেই এলাকায় একটি হাতির দল প্রবেশ করেছে। এই দাঁতালটি সেই দলের বলেও মনে করেন তিনি। বনদফতরের তৎপরাতায় হাতি মানুষ সংঘাত রোখা সম্ভব হয়েছে এবং হাতিকে জঙ্গলে পাঠাতে সম্ভব হয়েছে। তবে হাতির আতঙ্ক রয়েগেছে। উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে তরাই আর ডুয়ার্সের জঙ্গলে মাঝেমধ্য়েই হাতির উপদ্রোব দেখা দেয়। বনবস্তি সংলগ্ন এলাকায় হাতি শস্যের ক্ষতি করে। অনেক সময় প্রাণহানির মত ঘটনাও ঘটে। বনকর্মীরা সজাগ থাকলেও এজাতীয় ঘটনা এড়ানো যায় না।


