Madhyamgram: দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে গোটা বাংলা। কিন্তু উৎসবের মরশুমের আগে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে উদ্বেগে মধ্যমগ্রামের এলআইসি টাউনশিপের বাসিন্দারা।
Madhyamgram: দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে গোটা বাংলা। কিন্তু উৎসবের মরশুমের আগে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে উদ্বেগে মধ্যমগ্রামের এলআইসি টাউনশিপের বাসিন্দারা। মধ্যমগ্রাম পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু রাস্তার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। তার উপর বৃষ্টির জল জমে থাকায় গর্তগুলির গভীরতা বোঝার উপায় নেই। ফলে পথ চলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বাইক, টোটো এবং ছোট গাড়ির চালকরা।
ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা!
সামান্য অসতর্ক হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। স্থানীয় সূত্রে দাবি, প্রায় এক বছর ধরে রাস্তার এই পরিস্থিতি। বর্ষাকালে সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার নেয়। বৃষ্টির জল জমে থাকার কারণে রাস্তার ক্ষয়ও বাড়ছে। প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয়, জরুরি পরিষেবা নিয়েও সমস্যার অভিযোগ উঠছে।
কী বলছেন স্থানীয়রা
স্থানীয়দের দাবি, অসুস্থ রোগী নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সকে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। প্রবীণ নাগরিক, স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে প্রতিদিন কাজে বেরোনো সাধারণ মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল বহু বাসিন্দা। রাস্তার পাশাপাশি নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিকাশি নালা তৈরির জন্য সরকারি প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দের কথা থাকলেও এখনও কাজ শেষ হয়নি। ফলে বৃষ্টির জল দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারছে না। রাস্তার উপর দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকায় আরও দ্রুত নষ্ট হচ্ছে রাস্তা।
স্থায়ী সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভে স্থানীয়রা
সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। তাঁদের দাবি, পুজোর আগেই অন্তত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি সংস্কার করা হোক। কারণ উৎসবের সময় এলাকায় মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। অন্যদিকে, রাস্তা সংস্কার নিয়ে মধ্যমগ্রাম পৌরসভার পৌরপ্রধান নিমাই ঘোষ জানিয়েছেন, রাস্তা সংস্কারের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলেই কাজ শুরু হবে। দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। নিকাশি নালা তৈরির প্রসঙ্গে পৌরপ্রধানের বক্তব্য, সরকারের কাছ থেকে অর্থের একটি পর্যায় এখনও পাওয়া যায়নি। টাকা এলেই নিকাশি ব্যবস্থার কাজও শুরু করা হবে। পুজোর আগে এলআইসি টাউনশিপের রাস্তার চেহারা কতটা বদলায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের এই সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান চান তাঁরা।


