বিধানসভার মধ্যেই মন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী বিধায়কদের হাতাহাতি হওয়ার উপক্রম। উত্তেজনা প্রশমনে হস্তক্ষেপ করতে হল খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এলেন অন্যান্য মন্ত্রীরাও। শুক্রবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য বিধানসভা। 

জানা গিয়েছে, এ দিন বিধানসভায় সরকারি পরিবহণ নিগমে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদের বড়ঞার কংগ্রেস বিধায়ক প্রতিমা রজকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরিবহণমন্ত্রী। অভিযোগ, পরিবহণমন্ত্রী তাঁকে বলেন, 'আগামী বিধানসভায় ভোটে জিতে আসতে পারবেন না।' 

আরও পড়ুন- শামিকে বিষোদ্গার ছেড়ে হাসিনের মুখে মমতা-বন্দনা, তবে কি এবার অন্য আঙিনায়, বাড়ছে জল্পনা

আরও পড়ুন- আট বছরে হয়নি, জঙ্গলমহলে ভোট বিপর্যয়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর দেখা পেলেন লোধারা

অভিযোগ, পরিবহণমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন প্রতিমাদেবী। তার সঙ্গে এগিয়ে আসেন ভরতপুরের কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ চট্টোপাধ্যায়ও। পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের কার্যত হাতাহাতি হওয়ার উপক্রম হয়। তা দেখে এগিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসরাও এগিয়ে গিয়ে দু' পক্ষকেই নিরস্ত করেন। সংযত হওয়ার জন্য সবপক্ষকেই নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। 

প্রতিমাদেবী পরে অভিযোগ করেন, একজন মন্ত্রী হয়ে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কী করে রাজনৈতিক মন্তব্য করেন পরিবহণমন্ত্রী? তিনি কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের দায়িত্বে থাকবেও সেখানে কংগ্রেসকে হারাতে ব্যর্থ হয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।