Mamata Banerjee: মালদার সভা থেকেই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির পার্টি মিমকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এবারের ভোটে এই মিমের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়ছে হুমায়ুন কবীরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। এদিনের জনসভা থেকে দলের কর্মীদেরও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।   

Mamata Banerjee: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার, তিনটি জনসভা রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee news)। দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং মালদায় প্রচার কর্মসূচি সারছেন তিনি (mamata banerjee news)। 

মালদার সভা থেকেই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির পার্টি মিমকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এবারের ভোটে এই মিমের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়ছে হুমায়ুন কবীরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। 

Scroll to load tweet…

বিস্ফোরক মমতা

মুখ্যমন্ত্রী এদিনের সভা থেকে বলেন, “একটা ঘটনা বাংলার সম্মানকে পুরো নষ্ট করে দিয়েছে। যেটা মালদায় ঘটেছে। আমি জানি, স্থানীয় মানুষজন এই ঘটনার জন্য দায়ী নন। হ্যাঁ, তাদের ক্ষোভ থাকতেই পারে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, বিজেপির কোকিল এসেছে হায়দরাবাদ থেকে। আর সেইসঙ্গে কিছু সাম্প্রদায়িক লোকজনও ঢুকে পড়েছে। মালদায় তারাই এইসব ঘটিয়েছে। কিন্তু আমরা হাতেনাতে ধরতে পেরেছি। বিমানবন্দর থেকে সিআইডি ধরে নিয়ে এসেছে। কারা আটকে রেখেছিল বিচারকদের? সবাই বহিরাগত।"

অন্যদিকে, কালিয়াচকে বিচারকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তবে এক্ষেত্রে আবার তিনি কংগ্রেসকে দোষারোপ করেছেন এবং মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, পুলিশ-প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নেই। সবটাই নির্বাচন কমিশন কন্ট্রোল করছে। 

Scroll to load tweet…

“মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এক পয়সাও মাইনে নিইনি" বললেন মমতা

সেইসঙ্গে মমতার অভিযোগ, “জেনে রাখুন, ভোট কাটার খেলা চলছে। হায়দরাবাদ থেকে আসছে ভাই, তাঁর সঙ্গে আছে আরেক গদ্দার ভাই। ডিটেনশন ক্যাম্প যদি না চান, তাহলে আমাদের সঙ্গে থাকুন। আমার মন বলছে, বিজেপি শীঘ্রই বিদায় নেবে।এটা বাংলার ভোট। তাই আমাদের জেতা জরুরি। মাথায় রাখবেন যে, কাকের ঘরেই কোকিল জন্মায়। তাই আম বা আমসত্ত্ব দিয়ে দেবেন। কিন্তু একটাও ভোট দেবেন না।"

এদিনের জনসভা থেকে দলের কর্মীদেরও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “কর্মীরাই হচ্ছে দলের সম্পদ। যারা বিএলএ এজেন্টের কাজ করেন, মিছিল-মিটিং করেন, লড়াইয়ের ময়দানে থাকেন এবং কখনোই পালিয়ে যান না, তারাই হলেন দলের আসল সম্পদ। তাদের আমি ভীষণ ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি। কারণ, আমি নিজেও একজন মাটির কর্মী। সেইজন্যই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এক পয়সাও মাইনে নিইনি। খুবই সাধারণভাবে জীবনযাপন করি। কারণ, অহঙ্কারই আসলে দুর্বলতা।" 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।