স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা ছিল না, রোজই অশান্তি হত। শেষ কিনা স্ত্রীকে পিটিয়ে মেরে ফেললেন এক যুবক! ঘটনার পর তিনি নিজেও গলায় দড়ি আত্মহত্যা করেছেন। গুরুতর আহত ওই দম্পতির ন'মাসের সন্তানও। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় ১০ বছরের জেল, কড়া শাস্তি বালুরঘাটে

মন্তেশ্বরের উত্তর পাড়া স্ত্রী জবা ও ন'মাসের সন্তানকে নিয়ে থাকতেন অচিন্ত্য সাঁতরা। বছর দু'য়েক আগে বিয়ে হয় ওই দম্পতির। কিন্তু বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা হত না। তেমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিদিন অচিন্ত্য ও জবার মধ্যে অশান্তি হত। অশান্তি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, স্বামীর উপর রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন জবা। কয়েক দিন পর শ্বশুরবাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন অচিন্ত্য। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি। স্ত্রী বাপের বাড়ি থেকে ফেরার পর ফের অশান্তি শুরু হয়ে যায়।  

আরও পড়ুন: বাবার মৃতদেহ সৎকার না করে বিবাহ বন্ধনে পাত্র-পাত্রী

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে জবাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে অচিন্ত্য। ঘটনার পর সে নিজেও গোয়ালঘরে গিয়ে গলার দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। শুধু তাই নয়, বাড়ির ভিতরেই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়েছিল ওই দম্পতির ন'মাসের সন্তানও। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।  কিন্তু স্রেফ পারিবারিক অশান্তি নাকি সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে এমন ঘটনা ঘটল? শিশুটিই বা আহত হল কী করে? উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।