যতদিন যাচ্ছে, করোনা আতঙ্ক ততই বাড়ছে।  লকডাউনের জেরে দুর্ভোগও তো কম পোহাতে হচ্ছে না! বাঁচার তাগিদের পেশা বদলে ফেলেছেন অনেকেই। এমনই ছবি ধরা পড়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্রান্তে। 

আরও পড়ুন: লকডাউনে রসগোল্লা বিক্রি করছেন রাজ্য়ের মন্ত্রী, বৃদ্ধাশ্রম হয়েছে রান্নাঘর

করোনা আতঙ্কে ঘরবন্দি সকলেই। পরিস্থিতি যে দ্রুত স্বাভাবিক হবে, তেমন নিশ্চয়তা নেই। বরং দীর্ঘমেয়াদি লকডাউনে আর্থিক বিপর্যয়ের আশঙ্কাই বাড়ছে। বেঁচে থাকার লড়াইও কঠিন হচ্ছে ক্রমশই। যিনি গাড়ি চালাতেন, তিনি এখন ব্যবসায় মন দিয়েছেন। পেটে টানে সাইকেলে চেপে মাস্ক ও স্যানিজাইটার বিক্রি করছেন আদালতের মহুরিরাও! লটারি বিক্রি করেই দিব্যি সংসার চলে যেত। কিন্তু করোনা আতঙ্কে সবকিছু উলটপালট করে দিয়েছে। লকডাউনে লাটে উঠেছে ব্যবসা। কী আর করবেন! পরিবারের মুখে খাবার জোগাতে ঘুরে মাস্ক বিক্রি করছেন অনেক লটারি বিক্রেতারাই। এভাবে রাতারাতি বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আরও কতজন যে পেশা বদলে ফেলেছেন, তার ইয়ত্তা নেই। 

আরও পড়ুন: করোনা রোধে বিশেষ মাস্ক, বর্ধমানের কিশোরীর আবিষ্কারকে 'স্বীকৃতি' কেন্দ্রের
 

আরও পড়ুন: সপ্তাহ দুয়েক লড়াই, করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন ক্যানসার আক্রান্ত মহিলা

ওষুধ বা ভ্যাকসিন নেই। রোগীর উপসর্গ দেখেই চিকিৎসা করতে হয়। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্ক হওয়া ছাড়া উপায়টাই বা কী! পথে-ঘাটে ভিড় বা জমায়েত করার তো প্রশ্নই নেই। বাড়ির বাইরেও পা রাখা যাবে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রথমে ২১ দিনের জন্য দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে সেই লকডাউন মেয়াদ আরও বাড়ে। দ্বিতীয় দফার লকাউন শেষ হবে ৪ এপ্রিল। তারপর? শোনা যাচ্ছে, যেসব এলাকায় নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি, সেইসব বিধিনিষেধ কিছু শিথিল করা হতে পারে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। 'গ্রিনজোন'-এ বাস চালু করা হতে পারে। তবে বাস ও ট্রেন যেমন বন্ধ আছে, তেমনি থাকবে বলে খবর। অফিস বা কল কারখানা খুললেও বেশিরভাগ কর্মীদের হয়তো বাড়ি থেকে বাড়ি থেকেই কাজ করতে হবে।