ভাগ্যের চাকা ঘোরানোর দাম মাত্র ৭০ টাকা। হ্যাঁ, মাত্র ৭০ টাকা বিনিয়োগ করতেই কোটিপতি হয়ে গেলেন দিনমজুর। আর তাঁকে কষ্ট করে সংসার চালাতে হবে না। এবার একটু সুখের মুখ দেখবেন।

ভাগ্যের চাকা ঘোরানোর দাম মাত্র ৭০ টাকা। হ্যাঁ, মাত্র ৭০ টাকা বিনিয়োগ করতেই কোটিপতি হয়ে গেলেন দিনমজুর। আর তাঁকে কষ্ট করে সংসার চালাতে হবে না। এবার একটু সুখের মুখ দেখবেন। যার কথা বলছি তিনি বলেন সাহাবুদ্দিন শেখ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া চোয়া পঞ্চায়েতের পীরতলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী করেছেন সাহাবুদ্দিন।

সাহাবুদ্দিন সাধারণ এক দিনমজুর। দিন আনি দিন খাইতেই চলেন। তবে মাঝে মাঝে টাকা জমলে লটারির টিকিট কাটেন। আর তার কারণেই হয়ে গেলেন কোটিপতি। লটারিতে এক কোটি টাকা জিতে নিয়েছেন তিনি। যা তার অভাবের সংসারে আমূল বদল আনবে। শনিবার সকালে চোয়া বাজারে গিয়েছিলেন সাহাবুদ্দিন। সেখানেই একটি লটারির টিকিট কাউন্টার থেকে ৭০ টাকা দিয়ে টিকিট কেনেন তিনি। দুপুরে ফল ঘোষণা দেখা যায় প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা তাঁর কাটা লটারিতেই খেলেছে। এক লাফে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চলেছে বিরাট টাকা।

আয়কর আইন অনুযায়ী লটারি বা অন্য উৎস থেকে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হয়। যেহেতু এটি কোনও সাধারণ আয় নয়, তাই এতে সাধারণ ছাড়া দেওয়া হয় না। এই আয়করের পরও ১০ শতাংশ সারচার্জ দিতে হবে। এ ছাড়াও সেস বা উচ্চ শিক্ষা সেসের মতো করও দিতে হয়। ট্যাক্স বাদ দিয়ে সাহাবুদ্দিন প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা পাবেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পীরতলা গ্রামে সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে ভিড় উপচে পড়ে। চলে মিষ্টি বিতরণ।

এত টাকা নিয়ে কী করবেন?

এত টাকা পাওয়ার পর তা দিয়ে কী কী করবেন সেটা ছকে ফেলেছেন সাহাবুদ্দিন। তিনি জানিয়েছে, বসতবাড়িটি সংস্কার করবেন টাকা দিয়ে। এছাড়াও ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার পিছনেও টাকা খরচ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চান তিনি। ছেলে লটারিতে টাকা পাওয়াতে দারুণ খুশি সাহাবুদ্দিনের মা। তিনি জানান, সংসার টানতে টানতে ছেলে হাঁপিয়ে উঠেছিল। টাকা পাওয়ার আশাতে লটারি কাটছিল। অবশেষে টাকা পেল।