সংক্ষিপ্ত
স্থানীয় বাসিন্দারাই শৌচাগারের মধ্যে চিকিৎসকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে। ঘটনাস্থলে এই পুলিশ নিথর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেন।
চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে রহস্য (Mysterious death of a homeopathy doctor) ক্রমশই দানা বাঁধছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas)পাণিহাটিতে (Panihati)। বাড়ির পিছনে একটি শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয়েছে চিকিৎসকের নিথর দেহ। তবে কী করে চিকিৎসকের মৃত্য়ু তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত চিকিৎসকের নাম নির্মল ঘোষ। হিমিওপ্যাথিক ডাক্তার ছিলেন তিনি। খড়দার পানিহাটির আদর্শনগরের দীর্ঘ দিনের বাসিন্দা ছিলেন। এই এলাকাতেই ডাক্তারি করতেন।
স্থানীয় বাসিন্দারাই শৌচাগারের মধ্যে চিকিৎসকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে। ঘটনাস্থলে এই পুলিশ নিথর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেন। মৃত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে আত্মহত্যা না খুন তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে।
Defence Product: ৯০ শতাংশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি হবে দেশে, আশ্বাস দিলেন রাজনাথ সিং
Farm law Repeal: আচমকা কৃষি আইন প্রত্যাহারে ক্ষোভ, বিজেপি ছাড়ার হিড়িক এই জেলায়
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, নির্বাবিবাদী মানুষ হিসেবেই এলাকায় তাঁর পরিচিতি ছিল।মানুষের বিপদে আপদে ছুটে যেতেন। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন না তিনি। একা একাই থাকতেন। পাশে অবশ্য তাঁর দাদার বাড়ি। দাদার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর। মাঝে মাঝেই দাদার বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করতেন। কখনও আবার নিজেও রান্নাবান্না করতেন। দাদার সঙ্গে নির্মল ঘোষের সম্পর্ক ভালো ছিল বলেও জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। তবে বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির দরজা বন্ধ করেই থাকতেন। প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা বাড়ির বাইরে যেতেন না।
চিকিৎসক নির্মল ঘোষের মৃত্যুর পর রহস্য ক্রমশই দানা বাঁধছে। খুন না আত্মহত্যা তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রের খবর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই গোটা ঘটনা পরিষ্কার হবে। তার আগে কিছুই বলা সম্ভব নয়। পুলিশ সূত্রের খবর বাড়ির পিছনে শৌরাগারে কেন তিনি রাতের অন্ধকারে গিয়েছিলেন তাই নিয়েই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তারই কিনারা খুঁজছে পুলিশ। তবে চিকিৎসক নির্মল ঘোষের এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে রীতিমত শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারাদের কথায় একজন ভালো চিকিৎসক ও ভালো মানুষ হারালেন তাঁরা।