নৈহাটি বিস্ফোরণের জেরে রাজ্যের ৩ অফিসারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ এনআইএ-র।উল্লেখ্য ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি নৈহাটি বিস্ফোরণে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এনআইএ-র ডিজি ওয়াইসি মোদী এই সুপারিশ পত্র পাঠিয়েছেন রাজ্য়ের মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে।

 আরও পড়ুন, কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি চালাতে পারবে CBI, জানাল হাইকোর্ট  

 

 

নৈহাটি বিস্ফোরণের প্রেক্ষিতে রাজ্য প্রশাসনের তিন অফিসারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করল এনআইএ। কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগে চৈতালি চক্রব্রর্তী, মনোজ ভার্মা এবং জেলা শিল্প অধিকর্তা প্রণব নস্করের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এনআইএ-র ডিজি ওয়াইসি মোদী এই সুপারিশ পত্র পাঠিয়েছেন রাজ্য়ের মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে। উল্লেখ্য  সম্প্রতি ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি নৈহাটি বিস্ফোরণে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এনআইএ-র ডিজি ওয়াইসি মোদীর চিঠিতে সাফ জানানো হয়েছে, বেআইনি কারখানাগুলি যারা চালায় তাঁদের সঙ্গে জেলা প্রশাসন এবং জেলা পুলিশের যোগ সূত্র আছে । এখন এই মুহূর্তে রাজ্য কী ব্যবস্থা নেবে এটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।ভোটের মুখে বিরোধীপক্ষ যে এই সুপারিশ পত্রকে কাজে লাগাতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে।

 

আরও পড়ুন, 'এবার দর্শকের ভূমিকাতেই থাকতে হবে মমতাকে', দীনেশের ইস্তফা দিতেই তোপ দিলীপ-কৈলাসের

 


 প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি নৈহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল দেবক এলাকা।  ওই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, প্রায় ১০ কিমি বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে মৃদু ভূকম্পণ হয়। শুধু তাই নয় গঙ্গার অন্য়পারের বাসিন্দারাও কেঁপে ওঠে এই বিস্ফোরণে। চূচূড়ার প্রেমনগর, আখড়াবাজার সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজন জানিয়েছেন যে, এই বিস্ফোরণে রীতিমত তারাও কম্পন অনুভব করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলেছিল এই বিস্ফোরণ। খবর পেয়েই দমকলের কর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে গুরুতর জখম হয় একাধিক, মৃত্যু হয় ৫ জনের। উল্লেখ্য, একবছর আগে সেই বিস্ফোরণে ৫ জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। তারপরেও কীকরে ওই বেআইনি বাজি কারখানা অবাধে চলছিল, এনিয়ে প্রশ্নও তুলেছিল বাসিন্দারা। 

 

আরও দেখুন, বনধ সমর্থন করলেও রায়গঞ্জে দেখা গেল না কংগ্রেসকে, জোটসঙ্গীকে না পেয়ে হতাশ বামেরা