বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের মর্মান্তিক পরিণতি দেখল মুর্শিদাবাদ। দুই পরিবারের গন্ডগোলের জেরে প্রাণ গেল বছর কুড়ির তরতাজা ছেলের। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খুনের অভিযোগ ওঠে এক সিআরপিএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে। নাগাল্যান্ডে কর্মরত ওই সিআরপিএফ জওয়ানের স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার জেরে দুই পরিবারের বিবাদে প্রতিবেশীর ছেলেকে খুনের অভিযোগ ওঠে ওই সিআরপিএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন-পুকুর সংস্কারের কাজের সময় উদ্ধার বিশালকৃতির ২টি সাপ, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় চাঞ্চল্য

চাঞ্চল্যকর এই ঘচনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা থানার ললিতাকুড়ি এলাকায়। জানাগেছে, মৃত বছর কুড়ির যুবক পিন্টু দাসের বাবা উজ্জ্বল দাসের সঙ্গে সিআরপিএফ জওয়ান নিতাই দাসের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ। বিষটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই সিআরপিএফ জওয়ানের স্ত্রীর সঙ্গে উজ্জ্বল দাসের পরিবারের বিবাদ চরমে ওঠে। এই অবস্থার মধ্যেই নাগাল্যান্ড থেকে বাড়িতে ফেরেন সিআরপিএফ জওয়ান নিতাই দাস।

আরও পড়ুন-উত্তর দিনাজপুর পুলিশের বড়সড় সাফল্য, নাকা চেকিংয়ের সময় উদ্ধার ৪ কোটি টাকা মূল্যের সোনা

এই পরিস্থিতির মধ্যে নিতাইয়ের প্রতিবেশী উজ্বল দাসের ছেলে পিন্টুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁদেরই নির্মীয়মাণ বাড়ির একটি ঘরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পিন্টুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত পিন্টুর সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও গোপানাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান পরিবারের লোকেরা। এই অবস্থায় পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে সিআরপিএফ জওয়ান নিতাই দাসের বিরুদ্ধে। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের বদলা নিতেই উজ্জ্বলের ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এরপরই, ঘটনাস্থলে ভগবানগোলা থানার পুলিশ পৌঁছে পিন্টুর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অন্যদিকে, খুনের অভিযোগে সিআরপিএফ জওয়ান নিতাই দাস ও তাঁর স্ত্রী, কন্য়া, শ্বশুর, শ্যালক সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।