Asianet News BanglaAsianet News Bangla

আমাকে আমার লক্ষ্য থেকে কেউ সরাতে পারবে না, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কি আবারও বার্তা দিলেন শুভেন্দু

  • নেতাইয়ের সেবক বললেন নিজেকে 
  • শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য নিয়ে জল্পনা 
  • তাঁকে তাঁর পথ থেকে সরাতে পারবে না কেউ 
  • জনসভায় অচেনা ছন্দে শুভেন্দু 
no one can take me out of my way says tmc leader suvendu adhikari at natai bsm
Author
Kolkata, First Published Oct 19, 2020, 1:03 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

আমাকে আমার পথ থেকে কেউ সরাতে পারবেনা। আমি আমার মতোই চলব। রবিবার লালগড় থানার অন্তর্গত নেতাই গ্রামে দুঃস্থদের বস্ত্র বিতরণ করতে এসে তন্ময় রায়কে পাশে বসিয়ে এমনই সোজাসাপটা বার্ত দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা আবারও মনে করছেন এই মন্তব্য করে তিনি আবারও উস্কেদিলেন দলবদলের জল্পনা। কারণ রাজ্য রাজনীতিতে কানপাতলেই শোনা যাচ্ছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন তিনি। যদিও প্রকাশ্যে এই জল্পনা খারিজ করে তিনি জানিয়েছেন দলবদল করছেন না । বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই বলেও জানিয়েছেন একাধিকবার। রবিবার নেতাইয়ের জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে নেতাইয়ের সেবক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য, কর্ম আর দায়বদ্ধতা থেকে কেউ কোনও দিন তাঁকে সরিয়ে দিতে পারেনি। আগামী দিনেও পারবে না। 

no one can take me out of my way says tmc leader suvendu adhikari at natai bsm

মাওবাদী পর্বের পর ২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি নেতাই গ্রামে সিপিআইএমের হার্মাদ বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৯জন গ্রামবাসী। আহত হয়েছিলেন ২৮জন। সেদিন গ্রামবাসীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূল তরুন তুর্কী নেতা শুভেন্দু। তারপর তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুরের মতোই নেতাই গ্রামেও  সিপিআইএম সরকারের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছিল আন্দোলন। যার ফলস্বরুপ ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অষ্টম বামফ্রন্ট সরকারের প্রত্যাবর্তন নয় পরিবর্তন হয়েছিল রাজ্য জুড়ে। আর তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা হিসেবে দেখা গিয়েছিল শিরির অধিকারীর পুত্র শুভেন্দুকে। 

মাদক খাইয়ে ট্যাঙ্কার লুঠ, শালবনির জঙ্গল থেকে উদ্ধার চালক আর খালাসি ...

উৎসব আরও বাড়াতে পারে করোনা-বিপদ, সতর্ক হলে মহামারিতে 'ছেদ' পড়তে পারে ফেব্রুয়ারিতে ...

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরে কেটে গিয়েছে দীর্ঘ কয়েক বছর। অনেকখানি বদলে গেছে রাজনৈতিক সমীকরণও। সদ্য জেল থেকে মুক্ত হয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন এককালীন পুলিশসন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির মুখপাত্র ছত্রধর মাহাতো। দলের কার্যসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা  তৃণমূলের দাপুটে নেতা শুভেন্দুর পরিবর্তে নিজের ভাইপো অভিষেক বন্ধ্যোপাধায়কেই দলের  গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত করেছেন। যার ফলে মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে শুভেন্দুর। দলের বেশিরভাগ কার্যসভায় অনুপস্থিত থেকেছেন তমলুকের দাপুটে নেতা শুভেন্দু। ইদানিং কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে গুঞ্জন শুভেন্দু নাকি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যেকোনও সময় যোগদান করতে পারেন। কিন্তু এই বিষয়ে শুভেন্দু স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি বিজেপি তে যাচ্ছেন না। তবু দূরত্ব যে বেড়েছে সেকথা অস্বীকার করা যায় না।  তবু দমে যাবার পাত্র যে নয় তিনি রবিবার নেতাই গ্রামে এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেকথাই স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু। এদিনের সভায় শুভেন্দুর পাশে দেখা যায় সদ্য তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত বিনপুর ১ ব্লক তৃণমূলের যুব সভাপতি তন্ময় রায়কে। যার ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে তৃণমূল দলের সঙ্গে শুভেন্দুর সম্পর্ক নিয়ে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios