এবার বসিরহাটে বিজেপির নাগরিকত্ব আইন নিয়ে অভিনন্দন যাত্রা আটকে দিল পুলিশ। রাস্তা আটকালেও বিজেপির কর্মীদের আটকানো যায়নি। পথেই বসে পড়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। চলে শাসক  দল ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান।   

ফিরিয়ে দিতে বলা হল যোগীর দেওয়া কম্বল, যত কাণ্ড উত্তরপ্রদেশে

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী মিছিলে উত্তাল হয়েছে রাজ্য়। অগ্নিগর্ভ হয়েছে রাজ্য়ের পরিবেশ। খোদ সিএএ বিরোধী একাধিক মিছিল করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, সিপিএম, কংগ্রেস এমনকী অন্য়ান্য় সংগঠনের মিছিলকে ছাড়পত্র দিচ্ছে পুলিশ। অথচ বিজেপির নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে মিছিল দেখলেই আটকাচ্ছে। 

এনআরসি-সিএএ মুসলিমদের ক্ষতি করবে, প্রতিবাদে বিজেপি ছাড়ল পঞ্চাশের বেশি মুসলিম নেতাকর্মী

বসিরহাটের বিজেপি কর্মীদের দাবি যে ভুয়ো নয় কদিন আগেই তাঁর প্রমাণ পেয়েছে রাজ্য়বাসী।  সুলেখা মোড় থেকে যাদবপুরের দিকে সিএএ-র সমর্থনে বিজেপির মিছিল আটকায় পুলিশ। বলা হয়, অনুমতি ছাড়াই মিছিল করছে বিজেপি,তাই তাদের আটকানো হচ্ছে। সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। একই অভিযোগ করেন তিনিও।

এদিনও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বসিরহাটে বিজেপির অভিনন্দন মিছিল রুখে দেয় পুলিশ। এরপরই মিছিলে এগোতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের । বসিরহাট শহরের একেবারে প্রাণ কেন্দ্র মার্টিন বার্ন রোডের ৭২নং বাসস্ট্যান্ড থেকে সিএএ-র সমর্থনে অভিনন্দন যাত্রার আয়োজন করেছিল বিজেপি। মিছিলে সামিল হয়েছিল ১ ও ২ নং পৌর মণ্ডলের নেতা কর্মীরা। মিছিল শুরু করতে গেলেই বাধা দেয় বসিরহাট থানার পুলিশ। 

মমতা শপথে গেলেই সরকার উল্টে যায়, মুখ্য়মন্ত্রীর ঝাড়খণ্ড সফরকে খোঁচা দিলীপের

বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয় বসিরহাট থানার। পুলিশের সঙ্গে চলে ধস্তাধস্তি। প্রতিবাদে রাস্তাতেই বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এই ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বসিরহাটের অন‍্যতম ব‍্যস্ত মার্টিন বার্ন রোড। তীব্র যানজটে আটকে যায় এলাকা। বিজেপি নেতা কর্মীরা এই ঘটনার জন‍্য পুলিশের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন। যদিও পুলিশ জানিয়েছে মিছিল নিয়ে তাদের কাছে বিজেপি কোনও অনুমতি নেয়নি। এই ঘটনার পর কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ