লোকসভা  নির্বাচনের আদলে ফের একজোট হলেন বিরোধীরা। ঝাড়খণ্ডের মুখ্য়মন্ত্রীর শপথকে কেন্দ্র করে ফের উঠল ফেডারাল ফ্রন্টের সম্ভাবনা। মুখ্য়মন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সেই জল্পনা ফের উস্কে দিলেন মমতা। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই ঝাড়খণ্ড সফরে হেমন্তের সর্বনাশ দেখছেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ।  

হাড় কাঁপানো শীতে কাবু কলকাতা, তাপমাত্রা আজও স্বাভাবিকের থেকে নীচে

মমতার ঝাড়খণ্ড সফরকে কটাক্ষ করে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যার শপথেই যান, তার সরকার এক বছরের বেশি টেকে না। অতীতে আপনারা দেখেছেন কর্নাটকের অবস্থা। কর্নাটকের সরকার এক বছর যেতেই তাতে ভাঙন ধরে। পরে সেখানে বিজেপির নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। ঝাড়খণ্ডেও শেষপর্যন্ত তা মিলে না যায়। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী একথা বুঝলেন না। তবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্বব ঠাকরে হয়তো বুঝেছিলেন, তাই এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে মন দিয়ে তার শপথ গ্রহণে ডাকেননি। রবিবার আলিপুর নাশনাল লাইব্রেরিতে দলের শিক্ষক সংগঠনের সম্মেলনে যোগদান করে এই ভাষাতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

এনআরসি-সিএএ মুসলিমদের ক্ষতি করবে, প্রতিবাদে বিজেপি ছাড়ল পঞ্চাশের বেশি মুসলিম নেতাকর্মী

দিলীপবাবু অভিযোগ করেন, রাজ্যে তৃণমূলের আমলে শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাই এ রাজ্যে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে যার যে পদে বসা উচিত, তারা সেই পদ পাচ্ছেন না। এরফলে শিক্ষার মান নামছে। বাংলার বর্তমান  শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে রাজ্য়বাসীকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান বিজেপি নেতা। তিন বলেন, একমাত্র শিক্ষকরাই পারেন রাজ্য়বাসীকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে।