Ranaghat News: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) আগে আলোচনা-বিতর্কের কেন্দ্রে নদিয়া জেলার রানাঘাট। এখানে ভোটের প্রশিক্ষণের সময়ই প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এখানেই ঘটনার শেষ নয়, শাসক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-হুমকির অভিযোগও উঠেছে।

DID YOU
KNOW
?
রানাঘাটে ধুন্ধুমার
নদিয়া জেলার রানাঘাটে ভোটকর্মীকে মরধরের ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

2026 West Bengal Legislative Assembly election: 'ভোটের প্রশিক্ষণে জায়ান্ট স্কিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ছবি কেন?' এই প্রশ্ন তুলে আক্রান্ত হয়েছিলেন। মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। তখনই প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এমনকী, স্কুলের বাইরে বেরোলেও তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। সেই হুমকি যে ফাঁকা আওয়াজ নয়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন নদিয়া জেলার রানাঘাটের প্রাথমিক শিক্ষক সৈকত চট্টোপাধ্যায়। আক্রান্ত শিক্ষকের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জেরে আক্রোশ প্রকাশ করতে শুক্রবার ভোর রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয় এবং হুমকি দেয়। এই ঘটনায় আক্রান্ত শিক্ষকের পরিবার ফের রানাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। বর্তমানে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এই পরিবার। আক্রান্ত ভোটকর্মীর মা নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) ও পুলিশ-প্রশাসনের কাছে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

রানাঘাটে কী হয়েছিল?

শুক্রবার রানাঘাটের দেবনাথ ইনস্টিটিউশনে ভোটের প্রশিক্ষণ চলছিল। সেই সময় সময় প্রজেক্টরের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এই বিষয়টির প্রতিবাদ করেন ভোটকর্মী সৈকত। অভিযোগ, তাঁর এই প্রতিবাদের জেরেই হঠাৎ উত্তেজনা ছড়ায় এবং তাঁকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়। এই হামলার জেরে তিনি গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। তাঁর ডান চোখের উপর আঘাত লেগে রক্ত পড়তে থাকে। ভোটের আগে এমন ঘটনা ঘিরে নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নদিয়া জেলার হাঁসখালি ব্লক আধিকারিকের নেতৃত্বে এই ভোটকর্মীর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর শাসক দলের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ভোটকর্মীরই নিরাপত্তা না থাকলে রাজ্যে দুই দফায় ভোটগ্রহণের সময় কীভাবে হিংসা রোখা যাবে, সেই প্রশ্ন উঠছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও, বাহিনীকে ঠিকমতো ব্যবহার করা না হলে রক্তপাতহীন ভোট সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।