মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সাধের কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকা পেতে কাট মানি চাওয়া হচ্ছে ছাত্রীদের কাছে। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করেছে এক ছাত্রী। ইতিমধ্য়েই ওই সদস্যের বিরুদ্ধে বিডিও অফিসে অভিযোগ করে সমস্যার সমাধান চেয়েছে বিষ্ণুপুরের রসখালি গ্রাম পঞ্চায়েত দমদমার বাসিন্দা পল্লবী নস্কর।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার বর্ষপূর্তি, শহিদদের স্মরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কে কে দাস কলেজের প্রথম বর্ষের পল্লবীর অভিযোগ, কন্যাশ্রী ফর্ম ফিলাপের জন্য তাকে পঞ্চায়েত থেকে 'আন ম্য়ারেড সার্টিফিকেট' আনতে বলে কর্তৃপক্ষ। কথামতো রসখালি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে এই বিষয়ে জানায় ওই ছাত্রী ।  নিয়ম মেনে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তপতী বাছাড় ওই ছাত্রীকে পঞ্চায়েত সদস্যের কাছ থেকে সার্টিফিকেট লিখিয়ে আনতে বলেন। 

ছাত্রীর অভিযোগ,পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে গেলে তার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা হয়। ওই ছাত্রীকে জানানো হয়, তার বাবার অ্যাকাউন্টে ১০০ দিনের(nrgs) প্রকল্পের টাকা তুলে দিলে তবেই লিখিত দেবেন তিনি । যদিও পরে প্রধানের কাছে গেলে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরই  বিষ্ণুপুর ব্লক অফিসারের কাছে  কাট মানির বিষয়েলিখিত অভিযোগ করে ওই ছাত্রী। অভিযোগ পাওয়ার পরই ব্যাবস্থা গ্রহণ করেন বিডিও । যদিও এখনও সার্টিফিকেট পাননি ওই ছাত্রী।

ভালবাসার দিনে ভিড় উপচে পড়ল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয়, টিকিটের সঙ্গে উপহারে মিলল গোলাপ

কাট মানি চাওয়ায় বিষয়ে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য দীপঙ্কর নস্কর বলেন, এলাকায় উন্নয়নে ধারা বজায় রাখতে তিনি নিজের জমি বন্দক রেখে টাকা মিটিয়েছেন কাজের শ্রমিকদের। যে ছাত্রী অভিযোগ করছেন,তারা বিজেপি সমর্থক। জব কার্ডের টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসার পর সমস্থ টাকা অত্মসাৎ করেছে। এই বক্তব্য়ের মাধ্যমে কার্যত তিনি স্বীকার করেন তিনি ওই পরিবারের কাছে "এনআরজিস" প্রকল্পের ব্যাঙ্কের টাকা চেয়েছিলেন। 

৮ দিনে বাতিল ৩০০-রও বেশি ট্রেন, চরম ভোগান্তির শিকার নিত্যযাত্রীরা

কন্যাশ্রী প্রকল্পে কাটমানির ঘটনায় শাসক দলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। এ বিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সিপিআইএম জেলা সম্পাদক শ্রমিক লাহিড়ী বলেন, সরকার চলছে কাট মানির টাকায় নিচু থেকে উপর পর্যন্ত প্রতি প্রকল্পের কাটমানি নেয়। মুখ্যমন্ত্রী কন্যাশ্রী প্রকল্পের নামে বাজার গরম করেছেন, আসল রূপ এই ছাত্রী দেখতে পাচ্ছে । কাট মনারি  বিষয়ে জানতে পরে তৃণমূলকে খোঁচা দিতে ছাড়নি বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি  নেতা সুফল ঘাটু বলেন,  প্রাধন ও সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা দরকার। বিজেপির তরফ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছেন তারা।