Sukanta Majumdar On TMC: ​ভোটের দুদিন আগে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ালেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। নাম না করে অনুব্রত মণ্ডলকে তীব্র আক্রমণ বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদের। কী বলেছেন তিনি? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Sukanta Majumdar On TMC: ​বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বীরভূমের দুবরাজপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আজ দুবরাজপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অনুপ সাহার সমর্থনে রোড শো'তে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সাফ জানান, আসন্ন ৫ই মে-র পর থেকে যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তবে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আদলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "৫ তারিখের পর যদি আমরা শোধরাতে শুরু করি, তবে যোগী স্টাইলে শোধরানো হবে।"

তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি সুকান্ত মজুমদারের:-

বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ ও বীরভূম জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘’কাজল হোক বা বীরভূমের ছাল ছাড়া বাঘ, মোটা বাঘ, জেল ফেরত বাঘ সমস্ত গুন্ডাদের বলছি শুধরে যাও, নাহলে ৫ তারিখের পর আমরা যোগী স্টাইলে শুধরাতে শুরু করব।''

এদিন রোড শো'তে হুডখোলা জিপে চেপে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘’যারা মহিলাদের ওপর অত্যাচার করবে বা মা-বোনদের সম্মানে আঘাত হানবে, তাদের বাড়িতে 'বুলডোজার' চালানো হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির অনড় অবস্থানের কথা জানান। তাছাড়াও বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতাদের নাম না করে বা পরোক্ষভাবে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে আর বেশিদিন রাজত্ব করা যাবে না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সাধারণ মানুষই এর যোগ্য জবাব দেবে।''

Scroll to load tweet…

অন্যদিকে, বীরভূমের বোলপুরে এক বিজেপি বুথ কর্মীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির হুমকির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিজেপির ওই বুথ কর্মী প্রচারের কাজে বাড়ি বাড়ি গেলে কিছু তৃণমূল কর্মী তাকে বাধা দেয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করে। আরও অভিযোগ, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর তার বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ধর্ষণের হুমকি দেন। এই ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বিজেপি কর্মী।

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর তাপস সরকার। তাঁর দাবি, বিজেপি কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম ভঙ্গ করে ‘অন্নপূর্ণা ফর্ম’ বিলির নামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফোন নম্বর, আধার নম্বর ও ব্যাঙ্কের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। সেই বিষয়ের প্রতিবাদ করা হয়েছে মাত্র, কোনও গালিগালাজ বা হুমকি দেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে সূত্রের খবর।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।