Suvendu Adhikari: ''রাজ্যে ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটেও এত প্রতিষ্ঠান বিরোধী ঝড় দেখিনি, এবার যতটা দেখছি।" এদিন সকালে নিজের ভোট দিয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

Suvendu Adhikari: ''রাজ্যে ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটেও এত প্রতিষ্ঠান বিরোধী ঝড় দেখিনি, এবার যতটা দেখছি।" এদিন সকালে নিজের ভোট দিয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। দিনভর নন্দীগ্রামের বিভিন্ন বুথে ঘুরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও স্পষ্ট হয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, বিপুল হারে ভোটদানে মানুষের অংশগ্রহণই ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছে জনমত। বিকেল পাঁচটার মধ্যেই রাজ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নন্দীগ্রামেও ভোটের হার ৯১ শতাংশের কাছাকাছি। শুভেন্দুর দাবি, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে প্রথম দফায় ৯৫ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়লেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বিরোধী দলনেতার দাবি, রেকর্ড ভোটদান ইঙ্গিত দিচ্ছে, মমতার বড় হার হতে চলেছে। এবার ভোট শান্তিতেই হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

রেকর্ড ভোটে পরিবর্তনের সিগন্যাল গ্রিন!

এই রেকর্ড ভোটদানকেই শুভেন্দু অধিকারী পরিবর্তনের বড় 'সিগন্যাল' বলে আখ্যা দিলেনন। বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের দিন সকালেই কাঁথিতে নিজের ভোট দেন শুভেন্দু। তারপর নন্দীগ্রামে গিয়ে সারাদিন বুথে বুথে ঘোরেন। মাঝে শুধুমাত্র শসা ও জল খেয়েই প্রচার ও তদারকি চালান। ফোনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন।

মমতার বিরুদ্ধে ভোটের হাওয়া তুঙ্গে, দাবি শুভেন্দুর

বিরোধী দলনেতার দাবি, ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসা অনেকেই তাঁকে জানিয়েছেন, এবারে তাঁরা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজ্যের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বেশি ভোটদান সাধারণত প্রতিষ্ঠান বিরোধিতারই ইঙ্গিত দেয়। এবার ভোটে তৃণমূলের 'গুন্ডাবাহিনী' সক্রিয় হতে পারেনি বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রশংসাও করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কর্মীদের মাঠে থাকার বার্তা দেন শুভেন্দু।

পবিত্র করকে কিছুটা অপ্রস্তুত দেখাল

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র করও এদিন বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন। তবে শুভেন্দুর সামনে রীতিমত ফিকে দেখিয়েছে পবিত্রকে। নন্দীগ্রামে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্য়ে উৎসাহও বেশ কম চোখে পড়ল। শুভেন্দুর টোটকায় বিভিন্ন বুথে বিজেপি কর্মীরা বেশ ভালভাবেই নিয়ম মেনেই ভোটের কাজ সারলেন।

বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট কত পড়ল

নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রথম দফায় রাজ্যে ভোটদানের হার ৮৯.৯৩ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৯০.০৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার দক্ষিণ দিনাজপুরে- ৯৩.১২ শতাংশ। কোচবিহারেও ভোট পড়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ।