তমলুক থেকে আসন্ন ভবানীপুর উপনির্বাচনের জন্য স্লোগান তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।‘বেকারত্ব ঘরে ঘরে, পিসিমণি হারবে ভবানীপুরে’, এমনই স্লোগান তুললেন তিনি।

উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে। ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তার জন্য ইতিমধ্য়েই প্রচার শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি। আর এবার তমলুক থেকে আসন্ন ভবানীপুর উপনির্বাচনের জন্য স্লোগান তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।‘বেকারত্ব ঘরে ঘরে, পিসিমণি হারবে ভবানীপুরে’, এমনই স্লোগান তুললেন তিনি। পাশাপাশি হিন্দিতে তাঁর মন্তব্য, ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায় বস!’

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার তমলুকে বিজেপির ‘পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিষেবা সেল’-এর সহযোগিতায় ও তমলুক সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে নিমতৌড়ি স্মৃতিসৌধে স্বাস্থ্য শিবির ও স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে নতুন স্লোগানের কথা উল্লেখ করেন শুভেন্দু। রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ও বেকারত্বের খোঁচা দিয়ে ওই নতুন স্লোগান তৈরি করেছেন। 

আরও পড়ুন, শুধু ভবানীপুরেই নয়, ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় লড়াইটা শুরু BJP প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার

এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর উপনির্বাচনেও মমতা হারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেন, "কতগুলি লোকের কথায় উনি নন্দীগ্রামে চলে এসেছিলেন। তারা বলেছিল, ৮০ হাজার ভোটে জেতাব। তাঁর ৬৫ হাজার নির্দিষ্ট ভোট ছিল, ২৪ শতাংশ। ভোট পেতে পায়ে প্লাস্টার জড়িয়েছেন, হুইল চেয়ার নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। তারপরেও ১,৯৫৬ ভোটে হেরেছেন। নন্দীগ্রামের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন।" ভবানীপুরেও সেই একই অবস্থা হবে বলে দাবি শুভেন্দুর। তাঁর কথায়, "উনি দাঁড়ালেই জিতবে কে বলেছে, পিকচার আভি বাকি হ্যায় বস!"

আরও পড়ুন- সরকারি গোডাউন থেকে বেআইনী ভাবে চাল পাচার, হাতেনাতে পাকরাও মিল মালিক গ্রেফতার

আরও পড়ুন- পাওনা টাকা না দেওয়ায় হাতুড়ি দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন বন্ধুকে, নির্মীয়মাণ বহুতলের নিচে পোঁতা হয় দেহ

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে মমতা হেরে গেলেও বিপুল ভোট পেয়ে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মমতা। কিন্তু, সংবিধান অনুসারে বিধায়ক না হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলে ৬ মাসের মধ্যে তাঁকে যে কোনও বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হতে হবে। সেই অনুযায়ী মমতার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৫ নভেম্বর। তাই তার আগেই তাঁকে যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিততে হবে। সেই অনুযায়ী তাঁর অতি পরিচিত আসন ভবানীপুর থেকেই লড়বেন তিনি। ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গ তুলেও আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, "কেন সাংবিধানিক সংকট হবে। ১৪৮ জনের অনেক বেশি বিধায়ক আছে তৃণমূলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর কোনও লোক নেই দলে। একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। তৃণমূল রাজনৈতিক দল নয়, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এটা মুখ্যসচিবের লেখাতেই প্রমাণিত।" 

YouTube video player