Suvendu Adhikari vs Pabitra Kar: এতদিন চুপ ছিলেন। সরাসরি কিছু বলছিলেন না। কিন্তু এবার একেবারে সরাসরি আক্রমণ করলেন একদা তাঁর ছায়াসঙ্গী, এখন ভোটযুদ্ধে তার সরাসরি প্রতিপক্ষকে। একসময়ের ছায়াসঙ্গী ভালোবাসার পাত্র আজ গোখরা সাপ হয়ে গেছে।
Suvendu Adhikari vs Pabitra Kar: এতদিন চুপ ছিলেন। সরাসরি কিছু বলছিলেন না। কিন্তু এবার একেবারে সরাসরি আক্রমণ করলেন একদা তাঁর ছায়াসঙ্গী, এখন ভোটযুদ্ধে তার সরাসরি প্রতিপক্ষকে। একসময়ের ছায়াসঙ্গী ভালোবাসার পাত্র আজ গোখরা সাপ হয়ে গেছে। লোভে পড়ে খুনিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে,নাম না করে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীকে এভাবেই বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেও প্রতিপক্ষ পবিত্রকে নিয়ে কিছুটা চুপ ছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু এবার একবারে একদা'শিষ্য'পবিত্রকে সরাসরি গোখরা সাপ বললেন শুভেন্দু।
পবিত্রকে নিয়ে আর কী কী অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা
একদা তার সঙ্গী ভালবাসার পাত্র পবিত্র কর আজকে গোখরো সাপ হয়ে গিয়েছে, খুনিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে লোভের জন্যে, নাম না করে নন্দীগ্রামের প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর-কে এভাবেই বিদ্ধ করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি শুভেন্দু অভিযোগ, “এই এলাকায় উনি আমাদের আসতে দিতে চাইতেন না। গ্রাম পঞ্চায়েত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমরা ডাক পাই না, ডাক পায় যারা রামনবমী করতে দেয় না, যারা খুন করেছে তারা।” নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র পবিত্রও এর জবাব দিলেন। শুভেন্দুকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি পবিত্র। নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়াল এলাকার পরিচিত রাজনৈতিক মুখ পবিত্র কর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। বয়াল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে একাধিকবার প্রধান ও উপপ্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন এবং এলাকায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
কে এই পবিত্র কর
শুভেন্দুর সঙ্গে ২০২০ সালে পবিত্রও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের হাত থেকে পতাকা তুলে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু করেন। এরপর নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিতে পবিত্রর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে সাম্প্রতিক কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তিনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির শুভেন্দুর জয়ে বড় ভূমিকা নেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।


