ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা যতটা করা হয়েছিল তার থেকে কয়েকগুন বেশি হয়েছে।  ঘূর্ণিঝড় আমফানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগামর। করোনার থেকেও পরিস্থিতি ভয়াবহ, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়ে গেল, নবান্ন থেকে সরাসরি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন- আমফানের তাণ্ডব দেখে স্তম্ভিত মুখ্যমন্ত্রী, সাহায্যের আবেদন জানালেন কেন্দ্রের কাছে

আমফান স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ে যে ভয়ঙ্কর তান্ডব চালাবে, তার আশঙ্কা করা হয়েছিল আগে থেকেই। তবে যে ভাবে তার ধ্বংসলীলার ছাপ রেখে গেল গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এই পরিস্থিতি সামলে উঠতে ঠিক কতদিন সময় লাগবে তা এখনই বলা যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী। তবে এই তাণ্ডব থামলেও এখনও আশঙ্কা রয়ে গিয়েছে। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের রেশ কাটেনি আজও। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবারও দিনভর বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ-সহ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও  ভারী বৃষ্টি হতে পারে। 

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ধীরে ধীরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে আমফান। বৃহস্পতিবার সকাল অবধি থাকবে ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাব। বাংলাদেশ সংলগ্ন জেলাগুলিতে আজও সাবধাণতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।