দীর্ঘ সাত মাস লকডাউনে বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ ছিল ট্রেনের উপর নির্ভরশীল করে মানুষ গুলোর উপার্জন করার পথ। লোকাল ট্রেন চালু হলেও সেই ট্রেনে ওঠা মানা হকারদের।কীভাবে চলছে সংসার সেই হকারদের কেউ খোঁজ রাখেনি। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে অসহায় কর্মহীন হকারেরা।

টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগের দাবিতে মিছিল, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধুন্ধমার ধর্মতলা

 

সমস্ত আশায় জল ঢেলে দিয়েছে রেল

রুটিরুজির আশায় বহু মানুষ ট্রেনে বই, ডটপেন, খেলনা, লজেন্স,  ফল, মিষ্টি, বাদাম, রুমাল, নানা পসরা নিয়ে ফেরি করতেন।সেই হকারদের রুজিরোজগার নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেল। কীভাবে চলছে সংসার সেই হকারদের কেউ খোঁজ রাখেনি। একপ্রকার অন্ধকারে ঢলে পড়েছে উলুবেড়িয়ার বিশ্বনাথ দাস, কাশীনাথ দাস, পল্টু মুখার্জীর মতন হকাররা।দীর্ঘ সাত মাস পর লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় হকাররা। ভেবেছিলেন তাদের রোজগার ফের চালু হতে চলেছে। আশায় বুক বাঁধছিলেন তাঁরা। কিন্তু সমস্ত আশায় জল ঢেলে দিয়েছে রেল। ট্রেন আসে ট্রেন যায়, বিভিন্ন স্টেশন থেকে  উঠে আসে কেউ লজেন্স নিয়ে,কেউ পেন নিয়ে, কেউ বাদাম নিয়ে,আবার কেউ খেলনা নিয়ে।এই ভাবেই গতিবেগে প্রতিদিন চলত তাদের রুজিরোজগার।

আরও পড়ুন, 'মৃত কর্মীর পরিবার চাকরি পেল না-অথচ ১১১ নতুন নিয়োগ হয় কী করে', উত্তাল আলিপুর চিড়িয়াখানা

 

কীভাবে চলছে সংসার সেই হকারদের কেউ খোঁজ রাখেনি 

লকডাউনের জেরে হঠাৎই থেমে যায় ট্রেনের চাকা আর তাতেই থেমে যায় হকারদের হকারি করা।দীর্ঘদিন পর ট্রেন চলাচল শুরু হলেও শুরু হল না হকারীদের হকারি করা। কীভাবে চলবে তাদের দিন কেউ তাঁরা জানেন না।দীর্ঘদিন রুজিরোজগার বন্ধ থাকার পর, ট্রেন পরিষেবা চালু হলেও কবে তাদের স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফিরতে পারবেন। সেই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে অসহায় কর্মহীন হকারেরা।