উপাচার্য সুবীরেশকে গ্রেফতার করায় রীতিমত সমস্যায় পড়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যলয়। থমকে যায় যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ থেকে পড়ুয়া ভর্তি প্রক্রিয়া। ফলে অন্তর্বতীকালীন মেয়াদে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিযুক্ত হলেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। 

এক সপ্তাহ আগেই বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালেয়র উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত তিনি। ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ২০১৪-২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান। ৩৮১টি ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নিজাম প্যালেসেই তাঁকে একসপ্তাহ ধরে জেরা করেছে সিবিআই। সোমবার হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়া পেশ করা হয় আদালতে। তদন্তের স্বার্থে সুবীরেশকে আবারও নিজেদের হেফাজত নিতে চেয়েছে সিবিআই। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উপাচার্য সুবীরেশকে গ্রেফতার করায় রীতিমত সমস্যায় পড়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যলয়। থমকে যায় যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ থেকে পড়ুয়া ভর্তি প্রক্রিয়া। ফলে অন্তর্বতীকালীন মেয়াদে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিযুক্ত হলেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। আপাতত তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দার্জিলিং হিল ইউনিভার্সিটির দায়িত্বও সামলাবেন বলে জানা গেছে। নিয়োগ নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তিন মাস বা সার্চ কমিটির দ্বারা নতুন উপাচার্য নিয়োগ না করা পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাবেন ওমপ্রকাশ মিশ্র।

তিন মাসের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্রকে। ওমপ্রকাশ একসময় কংগ্রেস করতেন। তারপর গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। তৃণমূলের তরফে তাঁকে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীও করা হয়। যদিও বিজেপির শংকর ঘোষের কাছে হেরে যান ওমপ্রকাশ। অধ্যাপনার থেকেই রাজনীতির জগতে বিচরণের জন্যই অধিক পরিচিত ওমপ্রকাশ মিশ্র।

এদিকে, উপাচার্য গ্রেফতার হওয়ার পরে প্রশাসনিক কাজকর্ম কার্যত শিকেয় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা, ভর্তি প্রক্রিয়া, পরীক্ষার ফল, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন উপাচার্য। সেসব কাজ থমকে গিয়েছে। তিনি কলকাতায় যাওয়ার পরে রেজিস্ট্রার বা যুগ্ম রেজিস্ট্রার কাজ চালাচ্ছিলেন, কিন্তু তা সাময়িক সময়ের জন্য। ফলে গোটা বিষয়টিই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স কমিটির বৈঠক উপাচার্য ছাড়া করা যাবে না, অন্যদিকে স্নাতকোত্তরে ভর্তির প্রক্রিয়া চলছে, যার জন্য উপাচার্যকে প্রয়োজন। তাই খুব দ্রুত একজনকে এই পদে অস্থায়ী ভাবে বসানোর প্রয়োজন ছিল। সেই দায়িত্ব পেলেন ওমপ্রকাশ মিশ্র।