রাজ্যে জারি হল বিজ্ঞপ্তি। সোমবার বিলেক পাঁচটা থেকে ২৭ মার্চ স্তব্ধ থাকবে পশ্চিমবঙ্গ। পাঁচ দিনের মাথায় রাত বারোটাতে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি। এরই মাঝে সোমবার সকালে বাজারে গিয়ে কোনও রকমের ঝুঁকি নেওয়া নয়। পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাবধানতা অবলম্বন করা একান্ত প্রয়োজনীয়। ভারতে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। রাজ্যে আক্রান্ত চার। এখনই করোনার দাপট না রুখতে পারলে পরবর্তীতে পরিস্থিতি যেতে পারে হাতের বাইরে। 

আরও পড়ুনঃ শহরে কোয়রান্টিনে আছেন কত জন, লকডাউন পরিস্থিতিতে বাড়তি নজর কলকাতা পৌরসভার

লকডাউন নিয়ে কোনও রকমের আতঙ্ক ছড়ানো নয়। চালু থাকবে একাধিক পরিস্থিতি। খোলা থাকবে- থানা, দমকল, ওষুধের দোকান। পাশাপাশি মিলবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। খোলা থাকবে মুদির দোকান। মিলবে পাউরুটি, দুধ, সব্জি, মাংস, ফল। এখানেই শেষ নয়, জরুরী বিভাগগুলোও থাকবে খোলা। বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ, টেলিকম সার্ভিস, ইন্টারনেট সার্ফিস ও তথ্যপ্রযুক্তি। 

আরও পড়ুন, অজান্তেই করোনা ঢুকেছে, বাগুইআটি নার্সিংহোমে হুলুস্থুলু

ফলে লকডাউন চলাকালিনও মিলবে একাধিক সুবিধে। ছাড় রয়েছে একাধিক বিভাগে। ফলে সোমবার বাজারে গিয়ে নিয়ম ভেঙে রোগ ডেকে আনা থেকে বিরত থাকুন। লকডাউন মানেই বাজারে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া নয়। মাথায় রাখতে হবে করোনা রুখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নয় দিনের বাজার সংগ্রহ করতে গিয়ে পরিস্থিতি বিপত্তি না হয়। যেটুকু প্রয়োজন, কেবল সেই টুকুই কিনে বাড়ি চলে আসা। অন্যের সংস্পর্শে না যাওয়া। বাইরে কিছু খাবার খাওয়া নয়। হাঁচি, কাশির সময় ঢেকে রাখতে হবে মুখ। প্রভৃতি বিষয় নজর রাখতে হবে। 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ

সাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা