TMC Vs CPM: মহম্মদ সেলিমকের তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে সহজে হারেতে পারেন বলেও আত্মবিশ্বাসী। কল্যাণ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে চিন্তিত নয় তাঁর দ
তিনি সাংসদ। কিন্তু বিধানসভা ভোটে জেতার ব্যাপারে আশাবাদী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর আর তাঁর দলের চিন্তা নেই। পাশাপাশি সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে হারানোর ব্যাপারেও তিনি রীতিমত আত্মবিশ্বাসী। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখী হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র সমালোচনা করেন সিপিএম রাজ্য কমিটির সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের। তিনি বলেন, সেলিম আর মীনাক্ষীর জন্য়ই তরুণরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে তৃণমূলের দিক থেকে।
কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কল্যাণের প্রতিক্রিয়া
'৪৮০ কোম্পানী কেন ১৪৮০ দিক না,ওদের কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে আমাদের সঙ্গে ১০ কোটি মানুষ আছে। ভোটটা তো মানুষ দেবে,কোম্পানীর লোক দেবে না। 'নির্বাচন ঘোষনার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে বলেন কল্যাণ। মার্চ মাসের প্রথম থেকেই রাজ্যে মোতায়েন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তি বাড়ছে তৃণমূল শিবিরে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বললেনি তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে মরিয়া কমিশন।
সেলিমকে আক্রমণ
'মহম্মদ সেলিম সিপিএম পার্টিটাকে নষ্ট করেছে।ওর মত উন্নাসিক ঔদ্ধত্য পূর্ন মানুষ আমি দেখিনি।সিপিএম এর অনেক মানুষকে দেখেছি কিন্তু ওর মত অহংকারী দেখিনি। সেলিমের মতন্বাসের দাম্ভিক লোক যতদিন থাকবে ততদিন সিপিএমের আরো অবক্ষয় হবে।' সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে আক্রমণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছে প্রতীক উর রহমন। তৃণমূলের কথায় সেলিমের জন্যই দল ছাড়তে হয়েছে প্রতীক উরদের মত তরুণ নেতাদের।
মীনাক্ষীকে আক্রমণ
রাজ্য রাজনীতিতে গুঞ্জন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হবেন। যদিও সিপিএম আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি। সেই প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'মীনাক্ষী উত্তরপাড়ায় দাঁড়ালে হারিয়ে ভূত করে ছেড়ে দেব। সেলিমের কাছে প্রায়োরিটি লেভেলটা হচ্ছে মীনাক্ষী আর কেউ নয়। সেই কারণে সিপিএমের অনেক তরুণ নেতা-নেত্রীরা মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে প্রকাশ্যে বলছে কেউ বলতে পারছে না।আমরাও তো খবর রাখি। দল করতে গেলে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। একজনকে প্রাধান্য দিলে আর কাউকে দিলে না সেটা তো হয় না।'
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করেন আইএসএফ-কেও। তিনি বলেন, এবার বিধানসভা নির্বাচনের পরই গোটা দলটাই উঠে যাবে। ভাঙড়ে সওকত মোল্লার সঙ্গে সংঘর্ষের জন্য তিনি নওসাদ সিদ্দিকীকেও দায়ী করেন।


