আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  জমানা বদলেছে, কিন্তু স্লোগান বদলায়নি! সিপিএমের মতোই তৃণমূল সরকারকেও লোকে 'লোডশেডিং-এর সরকার' বলছে। দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের কাছে অভিযোগ করলেন শাসকদলের অঞ্চল সভাপতি। 

আরও পড়ুন: 'বাংলায় আশ্রয় পাচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা, জঙ্গলমহলে বাড়ছে নকশালবাদ', দুর্গাপুরে কৈলাসের নিশানায় মমতা

শিয়রে বিধানসভা ভোট। বীরভূমে জেলার বিভিন্ন ব্লকে কর্মিসভা করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ময়ুরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের তালোয়া, ঝিকোড্ডা ও বাজিতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বুথভিত্তিক সভা ছিল বৃহস্পতিবার। খারাপ আবহাওয়ার জন্য শেষপর্যন্ত অবশ্য বাজিতপুরের সভাটি বাতিল হয়ে যায়। 

প্রথমে, তালোয়া পঞ্চায়েত। স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ বদরুদ্দোজার কাছে লোকসভা ভোটে বুথভিত্তিক ফলাফলের খতিয়ান জানতে চান অনুব্রত। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে জেলা সভাপতির কাছে পাল্টা অভিযোগ করেন অঞ্চল সভাপতিও। বলেন,  'সিপিএমের আমলের শ্লোগান লোডশেডিংয়ের সরকার এখন আমাদের শুনতে হচ্ছে। তিনমাস ধরে মল্লারপুরে লোডশেডিং-এ তিতিবিরক্ত এলাকার মানুষ। কথা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে।' এরপর সরাসরি বিদ্যুৎ দপ্তরের রামপুরহাট মহকুমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিভিশনাল ম্যানেজারকে ফোন করেন অনুব্রত। কেন ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। এমনকী, মঞ্চ থেকে ফোন করে বলে নেন খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। 

আরও পড়ুন: মাস্ক পরেই ঠাকুর দেখতে হবে, করোনা-কালে দুর্গা পুজোর নিয়মবিধি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এদিকে আবার ধার দেওয়া টাকা ফেরত চেয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে, তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর নিত্য়ানন্দ চট্টোপাধ্যায় হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলরকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। সেই প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিক সম্মেলনে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, 'উনিই বলেছেন আমি এক হাজার কোটি টাকার মালিক। তাহলে ওনার কাছে ধার নিতে যাব কেন?'