আশিস মণ্ডল, বীরভূম: পেরিয়ে গিয়েছে চার মাস। বীরভূমের তৃণমূল কর্মী খুনে শেষপর্যন্ত দলেরই এক নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত ব্য়ক্তি একসময়ে শাসকদলের অঞ্চল সভাপতি ছিলেন। এখন সে অঞ্চল কমিটির অন্যতম সদস্য। তাকে চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ  দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন: 'মে মাসে ধুমধাম করে দিদিক বিসর্জন হবে', বাঁকুড়ায় পথসভায় হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের

ঘটনার সূত্রপাত মাস চার মাস আগে। ভরসন্ধেবেলায় আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান শিশির বাউরি নামে এক তৃণমূল কর্মী। বীরভূমের খয়রাশোলের আমজোলা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। পরের দিন স্থানীয় রানিপাথরা গ্রামে রাস্তার ধারে শিশিরের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের লোকেদের দাবি, রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে ওই তৃণমূল কর্মীকে। কে বা কারা খুন করল? দলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি কিশোর মণ্ডল-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের স্ত্রী। বাকি অভিযুক্তরা ধরা পড়লেও, কিশোরের আর নাগাল পায়নি পুলিশ। ঘটনার চার মাস পর অবশেষে গ্রেফতার করা হল তাকে।  যদিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত।

আরও পড়ুন: বিহারে প্রচারে যাওয়ার পথে বাগডোগরায় নামলেন মোদী, সুকনায় রাত কাটালেন রাহুল গান্ধি

বীরভূম জেলার তৃণমূলের সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়ের দাবি,  'কিশোর মণ্ডলের হাত ধরে পাঁচরা অঞ্চলে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি তৈরি হয়েছে। বিজেপি চক্রান্ত করে দলের সংগঠনকে দুর্বল করতে মৃতের পরিবারকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছে।'