TMC News: বুধবার বেলা বাড়তেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত, ডামাডোল। পুরো মহারাষ্ট্রের মতো পরিস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়া দুই বিধায়ক তথা এন্টালির এমএলএ সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের এমএলএ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুজন মিলে দলের অন্দরে রীতিমতো বিদ্রোহের বীজ বপন করে দিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ীম বৈঠকের পর বৈঠক।
TMC News: ভয়ঙ্কর অবস্থা তৃণমূলে! রাজ্যের সমস্ত দলীয় কমিটি ভেঙে দেওয়া হল (tmc news today)। মনে করা হচ্ছে, দলে ভাঙনের সম্ভাবনা রুখতেই তৃণমূল নেতৃত্ব এই পদক্ষেপ নিলেন। মোট ৫৯ জন বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (tmc news kolkata)। টুইস্টটা হচ্ছে, চিঠি জমা পড়ল বুধবার। আর ঠিক তার আগেই মঙ্গলবার, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিধানসভার স্পিকারের রথীন্দ্রনাথ বসু। তাহলে কি রাজ্য রাজনীতিতে এইরকম একটি টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে আন্দাজ করেই এই বৈঠক? নাকি শুধুই মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা?

রাজ্যের সমস্ত দলীয় কমিটি ভেঙে দেওয়া হল
সে যাই হোক না কেন, বুধবার বেলা বাড়তেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত, ডামাডোল। পুরো মহারাষ্ট্রের মতো পরিস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়া দুই বিধায়ক তথা এন্টালির এমএলএ সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের এমএলএ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুজন মিলে দলের অন্দরে রীতিমতো বিদ্রোহের বীজ বপন করে দিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ীম বৈঠকের পর বৈঠক।
তারপর বুধবার, কার্যত, ঋতব্রতর নেতৃত্বেই তৃণমূলের ৫৯ জন বিধায়ক এক সুরে সুর মেলালেন। চিঠি জমা পড়ল স্পিকারের হাতে। মোট ৬০ জন বিধায়ক এই মুহূর্তে একদিকে রয়েছেন। সূত্রের খবর, আরও অনেকেই আসছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পলিটিক্যালি বিশাল গেম খেলে ফেলেছেন ঋতব্রত। এক সময়, সিপিএম-এর দাপুটে নেতা। এসএফআই-এর প্রাক্তন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, সিপিএম-এর এমপি, এরপর তৃণমূলে এসে শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বে, তারপর রাজ্যসভার সাংসদ এবং বিধায়ক। কার্যত, দক্ষ সংগঠক এবং একজন পেশাদার পলিটিশিয়ান হিসেবেই যেন নিজেকে ফের প্রমাণ করলেন ঋতব্রত।
ভেঙে দু-টুকরো তৃণমূল
আর তারপরেই ভেঙে দু-টুকরো তৃণমূল। খবর আসছে, রাজ্যের সমস্ত দলীয় কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে। বুধবার দুপুরে, সোশ্যাল মিডিয়াটে একটি পোস্ট করে তৃণমূলের তরফ থেকে জানানো হয়, বিচার-বিবেচনা করেই পশ্চিমবঙ্গে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই পোস্টে লেখা আছে, "সংগঠনের প্রতিটি স্তরে দল নিবিড় পর্যালোচনা এবং সাংগঠনিক মূল্যায়নের পথে হাঁটবে। তার উপর ভিত্তি করেই সাংগঠনিক পরিকাঠামো নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া সময় মতো জানানো হবে।”
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
