ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন স্ত্রীর নামও। আমফান ত্রাণে দুর্নীতির অভিযোগে এবার দলেরই পঞ্চায়েত প্রধানকে বহিষ্কার করল তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চণ্ডীতলায়।

আরও পড়ুন: গৃহস্থের গোয়ালঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঝলসে মারা গেল চারটি গরু

গত মাসে শেষের দিকে ঘুর্ণিঝড় আমফানে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা রাজ্য। যাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছিল, তাঁদের সরকারের তরফে ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। সেই টাকা কি পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রীও পেয়েছেন? অভিযোগ, ঝড়ে দোতলা বাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি। অথচ স্ত্রী মিনতি সিংহের নামে আমফানে ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের নামের তালিকায় নথিভূক্ত করেন চণ্ডীতলার গরলগাছা পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মনোজ সিংহ! শাসক দলের অন্দরের খবর, যে সমস্ত উপভোক্তার নাম নথিভুক্ত করা হয় তাঁদের অনেকেরই নামের সঙ্গে প্রধানের ফোন নম্বর দেওয়া ছিল। সেই তালিকা-সহ হুগলির তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। তিনি আবার বিষয়টি পত্রপাঠ পাঠিয়ে দেন দলের রাজ্য কমিটিতে। আর তাতেই কাজ হয়।

আরও পড়ুন: করোনা সন্দেহে সৎকারে বাধা, শ্মশানে বিক্ষোভের মুখে মৃতের পরিবারের লোকেরা

শুক্রবার কলকাতা তৃণমূল ভবনে দিলীপ যাদবকে ডেকে পাঠায় তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব। অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  এবার কী তাহলে প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মনোজ সিংহ? কারণ আইন অনুসারে কার্যকালের আড়াই বছর পার না হওয়া পর্যন্ত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা যায় না।