অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপুজো বদলে দিয়েছে রাজ্য়ের রাজনৈতিক সমীকরণ। ভূমিপুজোর দিনে রাজ্য়ে লকডাউন প্রভাব ফেলেছে অবাঙালি হিন্দিভাষী ভোটে। এমনটাই আশঙ্কা করছে চাঁপদানি শহর তৃণমূলের নেতারা। পার্টির গোপন রিপোর্টে সেরকমই আঁচ পেয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, বেগতিক দেখে এবার অবাঙালি এই ভোটে বিশেষ নজর দিচ্ছে তৃণমূল। নেওয়া হচ্ছে বেশকিছু কর্মসূচি।

স্থানীয় রাজনীতির কান্ডারিদের ঘরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট বিব্রত তাঁরা। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ইতিমধ্যেই মাঠে নামতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেখানকার তৃণমূল কর্মীদের । হুগলির চাঁপদানি পুর এলাকায় মোট ২২ টি ওয়ার্ড । জুটমিল অধ্যুষিত এই এলাকা অবাঙালিরাই সংখ্যাধিক্। সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু ভোট প্রায় সমান সমান । মিশ্র এলাকা । কিন্তু অবাঙালিদের মধ্যে বিজেপির প্রভাব ক্রমশ বেড়ে চলেছে । তাই পার্টি থেকে কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে ।

অর্জুন ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতার গাড়িতে বোমাবাজি, কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে রক্ষা 

এদিন সকালে চাঁপদানি শহর তৃণমূল-এর সভাপতি তথা পুর প্রশাসক সুরেশ মিশ্র নিজের অফিসের কনফারেন্স রুমে অনুগামীদের নিয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন । সূত্রের খবর, দীর্ঘ মিটিংয়ে এলাকায় জনসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঝে মাঝে জনসংযোগ বাড়াতে এলাকাবাসীদের নিঃখরচায় বিভিন্ন ধর্মস্থানে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

সন্ত্রাসের বিষ ঢালাই ছিল কাজ, মুসলিম দুনিয়ায় অবাধ যোগ বাদুড়িয়ার 'জঙ্গি যুবতীর'

এছাড়া বন সৃজন উপলক্ষে প্রত্যেক ওয়ার্ড পিছু দেড়শো করে গাছ দেওয়া হবে । তাঁরা নিজেদের ওয়ার্ডে সাজাবেন । রীতিমতো হাইটেক পদ্ধতিতে প্রজেক্টর মেশিনের মাধ্যমে কর্মীদের বিশদে বুঝিয়ে দেন সুরেশ । প্রায় ঘণ্টাদুয়েক মিটিং চলে । এ বিষয়ে চাঁপদানি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুরেশ মিশ্র জানান , একথা অস্বীকার করে লাভ নেই যে বেশ কিছু অবাঙালি হিন্দিভাষী ভোটার বিভ্রান্ত হয়ে বিজেপির দিকে ঢলেছেন । 

কলকাতাতেই ২৭ হাজার ছাড়াল করোনা আক্রান্ত, মৃতের সংখ্যা ৯০০-র বেশি

মূলত, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস হওয়ার পর থেকে এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে । তাই এদিন মূলত সংগঠন নিয়ে একটা মিটিং ডেকেছিলাম । কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই অতিমারীর সময় মানু্ষের পাশে দাঁড়াতে। বেশি বেশি করে জনসংযোগ করতে । আমরা প্রতিবছর এলাকার বাসিন্দাদের বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়কে নিয়ে শ্রাবণী মেলা যেতাম তারকেশ্বরে । কিন্তু এবারে সেটা হল না ।  আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সুখে দুঃখে জনগণের পাশে আগেও ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকব।