TMC Show Cause Notice: বিক্ষুব্ধ নেতাদের মধ্যে তৃণমূলের মুখপাত্ররাও রয়েছেন। তাই এবার ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে শো-কজ নোটিস পাঠাল দল। প্রত্যেককে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফ থেকে ডেরেক ও’ব্রায়েন এই শো-কজ়ের নোটিস পাঠিয়েছেন এই পাঁচজন মুখপাত্রকে।
TMC Show Cause Notice: বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে পর্যদুস্ত হয়েছে তৃণমূল। ২০০-র বেশি আসন নিয়ে জিতেছে বিজেপি (West Bengal Election Result 2026)। আর তৃণমূল পেয়েছে মাত্র ৮০টি আসন। আর এই ভয়ানক হারের পরেই, বিপর্যস্ত তৃণমূলে নয়া চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে একাধিক নেত্যার দলবিরোধী মন্তব্য। তাদের মধ্যে আবার টেলিভিশনের টক শো-তে বসা কিংবা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা মুখপাত্ররাও রয়েছেন। সেইরকম ৫ জন মুখপাত্রকে এবার শো-কজ নোটিস ধরাল তৃণমূল (TMC Show Cause Notice)।
প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাদের একটা অংশ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু তাদের নিশানায় রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি দলের অন্দরে ‘যুবরাজ' এবং ‘সেনাপতি' নামে পরিচিত।
বিপর্যস্ত তৃণমূলে এবার শো-কজ নোটিস!
কার্যত, একাধিক নেতা ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন তাঁর উপর। তিনি নাকি গ্রাসরুট লেভেলে কাজ করা দীর্ঘদিনের একাধিক তৃণমূল নেতাকে কোনও পাত্তাই দিতেন না। এমনকি, অনেকে তো আবার এই অভিযোগও তুলছেন যে, অভিষেকের পছন্দের লোক না হলে নাকি দলে কোণঠাসা করে দেওয়ার চেষ্টা করা হত। অর্থাৎ, হারের পরেই একাধিক দলবিরোধী মন্তব্য শোনা যাচ্ছে এদিক ওদিক থেকে।
আর এই বিক্ষুব্ধ নেতাদের মধ্যে তৃণমূলের মুখপাত্ররাও রয়েছেন। তাই এবার ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে শো-কজ নোটিস পাঠাল দল। প্রত্যেককে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
‘লবিবাজি'-র অভিযোগ এবার তৃণমূলেও?
জানা যাচ্ছে, তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফ থেকে ডেরেক ও’ব্রায়েন এই শো-কজ়ের নোটিস পাঠিয়েছেন এই পাঁচজন মুখপাত্রকে। সূত্রের খবর, তাদের মধ্যে দুজন আবার একান্ত আলোচনায় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই নাকি জবাবি চিঠি তৈরি আছে। কেউ কেউ লম্বা চিঠিও লিখে রেখেছেন। সেগুলি তারা পাঠাবেন দলের নেতৃত্বের কাছে। অনেকে বলছেন, দলের অনেকে ফোন করে তাদের সমর্থনও করেছেন। তাদের মধ্যে নাকি বিদায়ী মন্ত্রিসভার তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রীও আছেন।
তাহলে কি তৃণমূলের নিচু তলার কর্মীদের মনের কথাই বলে দিলেন তারা। নির্বাচনের আগে বামেদের অন্দরেও এইরকম একটা বিষয় দেখা যাচ্ছিল। এবার সেটা দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের অন্দরে। ‘লবিবাজি'-র অভিযোগ এবার তৃণমূলেও?
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।