প্রেমিকা  পুলিশ, প্রেমিক সিভিক ভলেন্টিয়ার। তবে সত্যিকারের নয়। প্রেম করার খরচ  জোগাতেই পুলিশ এবং সিভিক ভলেন্টিয়ার সেজে এলাকায় তোলাবাজি চালাচ্ছিল যুগল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য আসল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল নকল পুলিশ। আপাতত শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে দু' জনেরই।
 ভুয়ো পুলিশ সেজে প্রতারণার অভিযোগে এক মহিলা- সহ দু' জনকে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সায়নী ঘোষ ও দ্বীপ নাটিক। সোমবার রাতে এই দু' জনকেই বারুইপুরের মদারাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নকল পুলিশের পোশাক ও একটি পুলিশ লেখা স্কুটি। 

পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগকরছিলেম যে সায়নী নিজেকে বারুইপুর মহিলা থানার পুলিশ কর্মী ও দ্বীপ নিজেকে বারুইপুর থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার পরিচয় দিয়ে এলাকায় তোলাবাজি করছে। এই অভিযোগ পেয়ে বারুইপুর মহিলা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। সোমবার সন্ধ্যায় মদারাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এই দু' জনকে। 

ধৃতদের জেরা করে যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে অবশ্য অবাক পুলিশকর্মীরাই। জানা গিয়েছে, সায়নী এবং দ্বীপের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু প্রেম করার খরচ অনেক। সেই খরচ তুলতেই পুলিশ সেজে তোলাবাজির ফন্দি আঁটে দু' জনে। কারণ হিসেবে তারা পুলিশকে জানিয়েছে, প্রেম করতে গেলে অনেক খরচ, রেস্তোরাঁয় খাওয়া থেকে পার্কে ঘোরা, সিনেমা দেখার জন্য প্রয়োজন টাকার।

ধৃতদের কাছ থেকে পুলিশ লেখা একটি স্কুটি উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে পুলিশের পোশাকও। যদিও ধৃতদেরকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, নাটকের পোশাক ভাড়া দেওয়ার দোকান থেকে ওই পোশাক ভাড়া করেছিল অভিযুক্তরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ধৃতদের মঙ্গলবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।