তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত বীরভূমের সাঁইথিয়া গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ গেল এক গ্রামবাসীর আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন পুরুষরা ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্ব

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত বীরভূমের সাঁইথিয়া। গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল এক নিরীহ গ্রামবাসীর। বিশাল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আতঙ্ক কাটেনি গ্রামবাসীদের। ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে পুরুষরা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: .মোবাইলের বদলে পাথর, অনলাইনে কেনাকাটায় প্রতারিত খোদ বিজেপি সাংসদ

সাঁইথিয়ার কল্যাণপুর গ্রামটি কার দখলে থাকবে? তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ও শাসকদলেরই স্থানীয় এক নেতার বিবাদ দীর্ঘদিনের। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে আচমকাই দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। গ্রামে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। আতঙ্কে রীতিমতো ছোটাছুটি করতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তখনই ঘটে বিপর্যয়। দুই পক্ষের মধ্যে বোমা ও গুলির লড়াইয়ে মাঝে পড়ে যান ইনসান শেখ নামে নামে এক ব্যক্তি। কল্যাণপুর গ্রামেরই বাসিন্দা তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ইনসানের কানে গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই মারা যান ইনসান। কিন্তু তাতেও বোমা-গুলি লড়াই থামেনি। বরং তা আরও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে সাঁইথিয়ার কল্যাণপুর গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। কোনওমতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে গ্রামে আর কোনও পুরুষ নেই। আতঙ্কে সকলেই পালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

কী বলছেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব? এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি শাসকদলের সাঁইথিয়া ব্লক সভাপতি সাবের আলি খান। তাঁর দাবি, যে গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, সেই কল্যাণপুর গ্রামে দায়িত্বে আছেন প্রশান্ত সাধু নামে এক তৃণমূল নেতা। তবে বহুবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।