রাজ্যের বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা আজই ঘোষণা করতে পারে বিজেপি। বুধবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচনি কমিটির বৈঠক বসেছিল। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সহ দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব। 

রাজ্যের বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা আজই ঘোষণা করতে পারে বিজেপি। বুধবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচনি কমিটির বৈঠক বসেছিল। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সহ দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী–সহ বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার বাংলার দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই বাংলার ১৪৪টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। বাকি ১৫০ আসনে কারা কারা প্রার্থী হচ্ছেন তা আজই জানানো হতে পারে।

চমক থাকবে না

সূত্রের খবর, প্রথম প্রার্থী তালিকার মতোই দ্বিতীয় তালিকাতেও কোনও বড় চমক দেওয়ার পথে হাঁটবে না দল। এক্ষেত্রেও গুরুত্ব দেওয়া হবে দলের পুরনো নেতা, কর্মীদেরই উপরই। প্রধানত দলের অনেক পুরনো, কিন্তু সক্রিয় নেতা, কর্মীদের একটি বড় অংশকেই বাকি আসনগুলিতে প্রার্থী করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। অন্তত এমনই জানিয়েছে বিজেপি সূত্র। প্রথম প্রার্থী তালিকায় বাংলায় কোনেও সংখ্যালঘুকে টিকিট দেয়নি গেরুয়া শিবির। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি সূত্রের দাবি, দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় একজন মুসলিম মহিলাকে প্রার্থী করা হতে পারে। যদিও কেন্দ্রটি অনিশ্চিত। তবে, মুর্শিদাবাদের কোনও আসন থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

দলবদলু প্রার্থী?

আরেকটা খবর সামনে আসছে। সেটা হল তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে অনেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকা বেশ কয়েকজন বিধায়ক দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। যদিও, বিজেপি এবার গতবারের ভুল করতে রাজি নয়। দলীয় লাইনের বাইরে কাউকে এবার টিকিট দেওয়া হবে বলেই জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অন্য দল থেকে আসা অ‍নেক নেতা–নেত্রীকে টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তাতে ভোটবাক্সে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি বিজেপি। অধিকাংশ দলবদলু প্রার্থীই হেরে গিয়েছিলেন। এ বার তাই বিজেপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, পার্টির পুরনো নেতাদেরই টিকিট দেওয়া হবে। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায়।