দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য সুরক্ষা আরও জোরদার করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটকেন্দ্রের আশপাশে পাড়ার অলি-গলিতেও চলবে টহল। বাইক নিয়ে টলল দেবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে।

West Bengal Assembly Elections 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য সুরক্ষা আরও জোরদার করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটকেন্দ্রের আশপাশে পাড়ার অলি-গলিতেও চলবে টহল। বাইক নিয়ে টলল দেবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে। যার জন্য আজ কমিশন একটি বৈঠক করে। সেই বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী আধিকারিক, শীর্ষ পুলিশ কর্তারা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। কলকাতার উত্তর, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোট ১৪২টি আসনে ভোটের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়।

রবিবার সকালে কাকদ্বীপে যান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে করে তিনি কাকদ্বীপের স্টিমারঘাটের হেলিপ্যাডে নামেন। সেখান থেকে সরাসরি কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে যান। সকাল ১০টা নাগাদ মহকুমা শাসকের দফতরে একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সিইও বলেন, "প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম। তাঁদের আশঙ্কার কথা শুনলাম। রাজ্যে ভোট হবে অবাধ। ভুয়ো ভোট, হুমকি, এ সব হতে দেব না। ভোটারদের আশ্বস্ত করছি, ভোট দিন। ভোটদানের হার যাতে ৯০ শতাংশের বেশি হয়, তা নিশ্চিত করুন। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার। ভোটদানে কেউ বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সব রাজনৈতিক দলকে সে কথা জানানো হয়েছে।"

মনোজ জানিয়েছেন, বুথে বুথে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনার সময় এবং তার আগে ও পরের ফুটেজ দেখা হবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। বুথমুখী ১০০ মিটার রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এ বার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। এছাড়াও বুথের আশপাশে সরু গলিতে টহলের জন্য পুলিশ, সিএপিএফ বাইক চালানোর অনুমতি চেয়েছিল।তা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মনোজ কুমার আগরওয়াল।

কলকাতার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে রবিবার সমস্ত সিভিল সেক্টর অফিসার, পুলিশ সেক্টর অফিসার, জেনারেল অবজ়ার্ভার, পুলিশ অবজ়ার্ভার, স্পেশ্যাল অবজ়ার্ভার, পুলিশের সিনিয়র আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিল কমিশন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কমিশনার অজয়কুমার নন্দ। জানা যাচ্ছে, ১৬০টি মোটরবাইকে টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দু’জন করে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) জওয়ান বা পুলিশ। স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি চালাতে দ্বিতীয় দফায় ড্রোনের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।