West Bengal Police: রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) আমলে মহিলাদের নিরাপত্তা শিকেয় উঠেছিল। বর্তমানে বিজেপি (BJP) সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠল।

DID YOU
KNOW
?
হাসপাতালে বিক্ষোভ
হাসপাতালে নার্সদের পোশাক বদলের ঘরে কলমে গোপন ক্যামেরা রাখার অভিযোগে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ।

Itahar Rural Hospital: সরকারি হাসপাতালে নার্সদের পোশাক বদল করার ঘরে স্পাই-ক্যামেরা রাখার অভিযোগ হাসপাতালেরই এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে মহিলা কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত চিকিৎসকের কঠোর শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান নার্সদের পরিজন ও স্থানীয় ব্যক্তিরা। নার্সদের অভিযোগ, হাসপাতালের মধ্যে নার্সদের পোশাক বদলের ঘরে ডঃ বিশ্বজিৎ ঘোষ অনৈতিকভাবে প্রবেশ করে কলমের মধ্যে গোপন ক্যামেরা রাখেন। বিষয়টি এক নার্সের নজরে আসে। কিন্তু তখন সেই নার্স বিষয়টি বুঝতে না পেরে কলমটি অভিযুক্ত চিকিৎসককে দিয়ে দেন। পরে হাসপাতালের সব নার্স বিষয়টি বুঝতে পেরে বিএমওএইচ-কে জানান। এরপরেই নড়চড়ে বসে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি

ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালের নার্স ও তাঁদের অভিভাবকরা অভিযুক্ত চিকিৎসকের কঠোর শাস্তি ও নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইটাহার থানার আইসি অভিষেক তালুকদারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী হাসপাতালে আসে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক, বিডিও এসে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে হাসপাতালে যান বিজেপি-র (BJP) জেলা সম্পাদক সবিতা বর্মন-সহ অন্য বিজেপি নেতা-নেত্রীরা। তাঁরা অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবি-সহ নার্সদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানান।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

উত্তর দিনাজপুর জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল হাসপাতালে গিয়ে ঘটনার তদন্ত করেছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল থেকেই অভিযুক্ত চিকিৎসককে আটক করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। পুলিশের পাশাপাশি জেলা স্বাস্থ্য দফতরও তদন্ত করছে। অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে যতক্ষণ না তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততক্ষণ আশ্বস্ত হতে পারছেন না নার্সরা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।