2026 West Bengal Legislative Assembly election: পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা -বিতর্ক চলছে। এর মধ্যে অন্যতম ইস্যু হল কর্মসংস্থান ও রাজ্যের আর্থিক অবস্থা। এ বিষয়ে গুরুতর তথ্য দিয়েছেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা
রাজ্যে অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়।

West Bengal Economic Condition: 'প্রায় আট লক্ষ কোটি দেনা হওয়া রাজ্যে এখন অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।' সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এমনই দাবি করেছেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে 'খোলা চিঠি' নামে নিয়মিত রাজ্যের নানা বিষয়ে পোস্ট করে চলেছেন। এমনই এক পোস্টে সন্ময় দাবি করেছেন, রাজ্যের এক আমলা তাঁকে আর্থিক অবস্থার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। এই আমলা জানিয়েছেন, ‘প্রায় সব ঠিকাদারের পেমেন্ট বন্ধ। প্রায় গত দু’বছরের মতো। দু'তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া সব নিয়োগ বন্ধ গত কয়েক বছর ধরে। অর্থ দফতরের সর্বোচ্চ সচিব না লিখিত অনুমতি দিলে কোনও পেমেন্ট নয়। বড় আইনজীবীদের পেমেন্ট সময়ে করতে হবে । নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের বিজ্ঞাপনের বিল মাসেরটা মাসেই রিলিজ করতে হবে। বাকি যে কোনও পেমেন্ট অর্থ সচিব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে সম্মতি দিলে রিলিজ হবে। নচেৎ নয়। বাজার থেকে নেওয়া ঋণের সুদ মেটাতে লক্ষ কোটি যাবে।'

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ডিএ-পিএফ পাওয়া যাবে না!

সন্ময় আরও দাবি করেছেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমলা তাঁকে জানিয়েছেন, ‘রাজ্যে চূড়ান্ত ফান্ড ক্রাঞ্চ চলছে । ডিএ সংক্রান্ত এসএমএস-ই থেকে যাবে। নির্বাচন কাটিয়ে দিতে হবে এই পথেই। পিএফ জমা পড়ছে কি না খবর নিন। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, অস্থায়ী কর্মী ছাঁটাই করতেই হবে। নিয়োগ আগামী দু'বছর মিনিমাম বন্ধ রাখতেই হবে। সিভিক ভলান্টিয়াররা মাইনে পাবেন না, ছাঁটাই হবেন। আইসিডিএস, আশাকর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া অর্থও পাবেন না। প্যারা টিচারদের অবস্থা আরও সঙ্গীন হবে। সরকার নিজের ইলেকট্রিক বিল মেটাতে পারছে না, পারবেও না। পাওয়ার সেক্টরের অস্থায়ী কর্মী আরও ছাঁটাই হবেন। কোনও স্থায়ী নিয়োগ আর করতেই পারবে না সরকার।’

সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্কট

সন্ময় আরও লিখেছেন, ‘পরিবহণ ব্যবস্থা পুরো লাটে উঠেছে। সরকারি বাস ডিপোতে দাঁড়িয়ে থাকছে। ড্রাইভাররা ডিউটিতে গেলে বলা হচ্ছে তেল নেই, গাড়ি রাস্তায় যাবে না। রেস্ট রুমে রেস্ট নিয়ে ড্রাইভার, কন্ডাকটররা বাড়ি ফিরছেন কাজ না করে।’ বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) আগে এটাই রাজ্যের প্রকৃত চিত্র বলে দাবি করেছেন সন্ময়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।