আগামী ২৫ মে তমলুকে ষষ্ঠদফায় ভোট গ্রহণ হবে। তার আগে নির্বাচনী প্রচানে নিষেধাজ্ঞা জারি হোয়ার ঘটনায় বেশ কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে নোংরা কথা বলার শাস্তি হিসেবে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ওপর ২৪ ঘণ্টা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে টানা ২৪ ঘণ্টার জন্য প্রচার করতে পারবেন না অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। পাশাপাশি আগামী দিনে জনসভায় এধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতেও পরামর্শ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনার পরই প্রতিপক্ষ দেবাংশু ভট্টাচার্য নিশানা করেছেন বিজেপিকে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আগামী ২৫ মে তমলুকে ষষ্ঠদফায় ভোট গ্রহণ হবে। তার আগে নির্বাচনী প্রচানে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ঘটনায় বেশ কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গত ১৭ মে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নোটিশ পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তার আগে নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্যে করে কুকথা বলেছিলেন অভিজিৎ। তারপরই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেই কমিশনের শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, অভিজিতের জবাব পড়ে মনে হয়েছিল, 'কুরুচিকর ভাবে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন। আর তা নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন তিনি।' কমিশন জানিয়েছে, ভারতীয় সমাজে ও সংবিধানে মহিলাদের বিশেষ স্থান রয়েছে। তাদের সম্মানের চোখে দেখা হয়। সেই কারণে একজন মহিলার সম্মানরক্ষার জন্য সব সময় চেষ্টা করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। দেশের মহিলাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধিরও চেষ্টা করেছে কমিশন। কিন্তু অভিজিতের মন্তব্য ভারতের একজন মহিলার মর্যাদার পক্ষে ক্ষতিকর। বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্য নিন্দনীয় বলেও জানিয়েছে কমিশন।

5th Phase: পঞ্চম দফায় ভোটের হারে এগিয়ে বাংলা, সবথেকে বেশি ভোট পড়েছে আরামবাগে

মোদীর পুরী সফর নিয়ে একী বললেন বিজেপি প্রার্থী সম্বিত পাত্র? বিরোধীদের হাতে যেন লোপ্পাই বল

নির্বাচন কমিশনের নির্জদেশের পরই সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তমলুকের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেছেন, 'একজন প্রাক্তন বিচারপতি, যিনি বিজেপির আকালের বাজারে তাদের বাঙালি ভদ্রলোক মুখ হতে চেয়েছিলেন, তিনি তাঁর জীবনের প্রথম নির্বাচনেই কুকথা বলার শাস্তি পেয়েছেন।' তিনি আরও বলেছেন, বিজেপির সকলেই শুভেন্দু অধিকারী। মুখ খুললেই নর্দমা। তবে বিজেপি বলেছিল, অভিজিতের মন্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

পুরীর জগন্নাথমন্দিরের রহস্যেঘেরা রত্নভাণ্ডারের তৃতীয় চাবি কোথায়? ভোট প্রচারে মোদীর কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে