Nadia News: ১০০ দিনের কাজের আবেদনে ধুন্ধুমার। কাজ চাইতে গেলে জুটছে বাংলাদেশি তকমা। কোথায় ঘটল এমন ঘটনা? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদব…

Nadia News: ধুবুলিয়ায় ১০০ দিনের কাজের আবেদনে বিক্ষোভ, বাংলাদেশি তকমা দেওয়ার অভিযোগ। নদীয়া জেলার ধুবুলিয়ায় সোমবার সকালে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ক্ষেতমজুর সমিতির আহ্বানে একাধিক শ্রমিক বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন। অভিযোগ, তাঁরা ১০০ দিনের কাজের আবেদনপত্র জমা দিতে এলে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে অফিসের আধিকারিকেরা। শুধু তাই নয়, আবেদনকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে বাংলাদেশী বলে তকমা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুবুলিয়া-সহ আশপাশের গ্রাম থেকে বহু ক্ষেতমজুর সকাল সকাল বিডিও অফিসে আসেন। তাঁদের দাবি, গ্রামে বেকারত্ব দিন দিন বাড়ছে। অনেক পরিবার চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে। ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ পেলে নুন্যতম রুজি-রুটি জুটবে। কিন্তু আবেদন পত্র জমা না নেওয়ায় উল্টে বাংলাদেশী তকমা দেওয়ায় তাঁদের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। এর পরই ক্ষেতমজুর সমিতির নেতৃত্বে শুরু হয় স্লোগান ও বিক্ষোভ।

ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি উত্তম গায়েন জানান, গত ৩১ শে জুলাই ওই ব্লকেরই কুড়ি জন শ্রমিক ১০০ দিনের কাজের আবেদন পত্র নিয়ে গিয়েছিল সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের অফিসে। তাদের অভিযোগ কাজের আবেদন জমা নেওয়া তো হয় না উপরন্তু তাকে বাংলাদেশী বলে আক্রমণ করা হয়। তারা মনে করছেন ১০০ দিনের কাজের আবেদন গ্রহণ না করার অর্থ আদালতের রায়কে অবমাননা করা, যা গুরুতর অপরাধ। তারা চাইছেন অবিলম্বে কৃষ্ণনগর দুই ব্লকের অসংগঠিত শ্রমিকের ১০০ দিনের কাজের আবেদন গ্রহণ করে তাদের কাজের অধিকারকে সুরক্ষিত করা।

উল্লেখ্য, বিগত তিন বছর ধরে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হয়ে আছে এই রাজ্যে। যার ফলে এই সমস্ত শ্রমজীবী মানুষেরা ভিন রাজ্যে পড়ে যায় শ্রমিক হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে ভিন রাজ্যে পরিচয় শ্রমিকদের যা অবস্থা তা সকলেরই জানা, আর সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেতমজুর সমিতির দায়ের করা মামলার রায় তেই কলকাতা হাইকোর্ট এর আগেই জানিয়েছিল এই রাজ্যে আবার ১০০ দিনের কাজ ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে শুরু করতে হবে।।

এই ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, শ্রমিকদের দাবি না মেটালে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।